মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

৫ ফাল্গুন ১৪২৬

ই-পেপার

পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

জানুয়ারি ২৪,২০২০, ০৫:৪১

ফেব্রুয়ারি ০৯,২০২০, ১০:০৯

হাইস্কুলের মাঠে রেস্টুরেন্ট

ঠাকুররগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উন্নয়নের নামে অতিরিক্ত ফি আদায় ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের পর এবার রেস্টুরেন্টের নামে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ভাড়া দিয়ে পকেট ভারি করার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে অভিভাবকসহ সচেতন মহলে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে প্রধানশিক্ষক মফিজুল হক অভিযোগ সত্য নয় দাবি করে বলেন, স্কুল প্রাঙ্গণে আর যেন ছাতা বসানো না হয় তা রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে। এছাড়াও বিদ্যালয়ের উন্নয়নের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করার অভিযোগ আছে। তাছাড়া সরকারি বই বিক্রি, মূল পাকা সংলগ্ন বিদ্যালয়ের মার্কেট ও নতুন দ্বিতীল ভবন নির্মাণে অর্থ নয়ছয় করাসহ ব্যাপক অনিয়মেরও অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। যেকোনো মানুষ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের এমন অবস্থা দেখে একে পার্ক বলে মনে করবেন। একটি সূত্র জানায়, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছাতা বসিয়ে ব্যবসা করতে দিতে বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক বাড়তি আর্থিক সুবিধা নেন। এ নিয়ে বেশ ক্ষুদ্ধ অভিভাবকসহ সচেতন মহল। বেশ কয়েকজন জানান, প্রধানশিক্ষক মফিজুল হক নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই খেয়াল-খুশি মতো বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন। বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফি এরর চেয়ে এক থেকে দেড় হাজার টাকা করে বেশি আদায় করছেন। এখন আবার স্কুল বাউন্ডারি ভাড়া দিয়ে পরিবেশ নষ্ট করছেন। সন্ধ্যায় স্কুল ক্যাম্পাসে গেলে মনে হয়, এটা কোনো মেলা বা পার্ক। তাদের অভিযোগ, ওই ফাস্টফুডের দোকানের জিনিসপত্রের এতো দাম যে সেখানে স্কুলের ছেলে মেয়েরা গিয়ে খাবার কিনে খেতে পারে না। অবিলম্বে এটা বন্ধ হওয়া দরকার বলে মনে করেন তারা। এ বিষয়ে প্রধানশিক্ষক মফিজুল হক বলেন, পকেট ভারি করার অভিযোগও সঠিক নয়। বিদ্যালয় বাউন্ডারিতে আর ছাতা না বসানোর জন্য রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে। তারপরও বসানো হচ্ছে কেন- এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। আমারসংবাদ/কেএস