রবিবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

১১ ফাল্গুন ১৪২৬

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

অক্টোবর ১৫,২০১৯, ০১:১৭

জানুয়ারি ০৪,২০২০, ১০:৪০

খায়রুলের পদত্যাগসহ ১৫ দফা দাবিতে মতিঝিলে বিক্ষোভ

চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি থেকে সোমবার (১৪ অক্টোবর) পর্যন্ত পুঁজিবাজারে টানা দরপতন অব্যাহত রয়েছে। এই দরপতনে বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারিয়েছে ৬৪হাজার কোটি টাকার বেশি। তাতে সাড়ে ৩৫ লাখ বিনিয়োগকারী পুঁজি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে। যা ২০১০ সালের ধসের চেয়ে ভয়াবহ ধস বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

পুঁজিবাজারে চলমান দরপতনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে সকাল সাড়ে ১১টা বিক্ষোভ শুরু করেন। এসময় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেন এবং সদস্য হেলাল উদ্দিন নিজামীর পদত্যাগসহ ১৫ দফা দাবি জানান বিনিয়োগকারীরা।

বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভে বলেন, ক্যাপিটাল মার্কেটকে ক্যাসিনো মার্কেটে পরিণত করার মূল নায়ক হিসেবে উল্লেখ্য করে খায়রুল হোসেন ও হেলাল উদ্দিন নিজামী গংদের পদত্যাগ চাই। এসম সময় জ্বালো জ্বালো আগুন জ্বালো, বিএসইসির গদিতে আগুন জ্বালো এক সাথে, খায়রুল তুই রাজাকার, এই মুহুর্ত কমিশন ছাড়’ ‘বাঁচতে হলে লড়তে হবে লড়াই করে জিততে হবে। শেয়ার বাজার ঠিক কর নইলে বুকে গুলি কর’ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজানুর রশিদ চৌধুরী গতকাল দৈনিক আমার সংবাদকে বলেন, বিএসইসির ব্যর্থতায় ধ্বংস হয়ে গেছে দেশের পুঁজিবাজার। টানা দরপতনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। তাদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ অবস্থায় আমাদের রাস্তায় নামার কোনো বিকল্প নেই। কেননা, আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। পুঁজিবাজার স্বাভাবিক অবস্থায় না ফেরা পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলতে থাকবে।

এর আগে ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর ডিএসইএক্স সূচক কালকের থেকে কম স্থানে অবস্থান করছিল।

এমএআই