মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

৫ ফাল্গুন ১৪২৬

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

জানুয়ারি ২৩,২০২০, ০১:৫৭

ফেব্রুয়ারি ০৯,২০২০, ১০:০৯

ঢাকা সিটি নির্বাচন স্থগিতের শুনানি রোববার

ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং ভোটগ্রহণ স্থগিত চেয়ে করা রিটের ওপর শুনানির জন্য আগামী রোববার (২৬ জানুয়ারি) দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত এ সময় আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে করা জরুরি রিট। আগামী রোববার এটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় টপে (শীর্ষে) থাকবে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. নুর-উস সাদিক। এর আগে গতকাল বুধবার (২২ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট আবেদন করা হয়। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, আইন সচিব, ঢাকার দুই সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট পাঁচজনকে বিবাদী করা হয়। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত না করায় জনস্বার্থে রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুছ আলী আকন্দ। রিটকারী আইনজীবী বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ না করাসহ বিভিন্ন গ্রাউন্ডে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছি। রিট আবেদনে বলা হয়েছে, ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালায় স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ৩০০ ভোটারের স্বাক্ষরের বিধান রয়েছে। কিন্তু দলীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে এই বিধান না থাকাটা বৈষম্যমূলক এবং এটি সংবিধানের ৭, ১৯, ২৬, ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ঢাকা সিটি নির্বাচনের জন্য প্রথমে আগামী ৩০ জানুয়ারি ভোটের তারিখ ঘোষণা করে তফসিল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই তফসিল সংশোধন করে ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ঠিক করা হয়। কিন্তু বিধি অনুসারে নির্বাচন পেছানো নিয়ে তফসিল সংশোধনের সুযোগ নেই, পুনরায় তফসিল দিতে হয়। ২০১০ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালার ২৭ বিধি অনুসারে নির্বাচনের পূর্বে সিটির ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়নি। বিধি ১১(১) অনুযায়ী প্রতিবছর ২ থেকে ৩১ জানুয়ারী ভোটার তালিকা হালনাগাদের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয় গত ২০ জানুয়ারি। তবে ভোটার তালিকা হালনাগাদে এখনও ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় থাকলেও নতুন ভোটাররা তালিকায় অন্তর্ভুক্তি থেকে বঞ্চিত হবেন। বিধি মোতাবেক সিটি করপোরেশনের মেয়রের মেয়াদ হবে ১ম সভা থেকে ৫ বছর পর্যন্ত। বর্তমান মেয়রদের ১ম সভা ২০১৫ সালের ১৭ মে অনুষ্ঠিত হয়। সে হিসাবে তাদের মেয়াদ চলতি বছরের ১৭ মে পর্যন্ত হওয়ার কথা। অথচ প্রায় ৬ মাস পূর্বে নির্বাচনের তফসিল দেওয়া হয়েছে। এ কারণে রিটটি দায়ের করা হয়েছে। আমারসংবাদ/জেআই