সোমবার ০৬ এপ্রিল ২০২০

২৩ চৈত্র ১৪২৬

ই-পেপার

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ২১,২০২০, ০৪:১৮

মার্চ ২১,২০২০, ০৪:১৮

সাধারণ জ্বর-সর্দি না করোনা, বুঝবেন কীভাবে?

 

বিশ্বজুড়ে মহামারি আকার ধারণ করেছে চীনের হুবেই প্রদেশে প্রাদুর্ভাব হওয়া নভেল করোনাভাইরাস। প্রাণঘাতী ভাইরাসে এ পর্যন্ত দেশে ২৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে, সুস্থ হয়েছেন ৩ জন।

এ ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষণ সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও জ্বর। তবে এই মৌসুমে অনেকেরই সাধারণ জ্বর ও সর্দি-কাশি হয়ে থাকে।

ফলে অন্যান্য জ্বর আর করোনা ভাইরাসের মধ্যে পার্থক্য বুঝাটা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। তার ফলে ছড়ায় আতঙ্ক। তাই জ্বর হলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া অবশ্যই দরকার, তবে সঠিক লক্ষণগুলো জেনে রাখা ভালো।

জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট: মোটামুটি ভাবে যা দেখা গিয়েছে তাতে করোনা ভাইরাস এর মূল উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, শুকনো কাশি এবং শ্বাসকষ্ট। যেহেতু এই ভাইরাস শ্বাসনালীতে ক্ষতি করে, তাই শুকনো কাশি হয়ে থাকে। এই ভাইরাস শ্বাসনালীর কোষ গুলোকেনষ্ট করে দেয়, তাই শ্বাসকষ্ট এর অন্যতম উপসর্গ।

যেহেতু এটি একটি ভাইরাস তাই সবার আগে ভাইরাল ইনফেকশনের জ্বর আসে। ৮০ শতাংশের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, লক্ষণগুলো সেরকম প্রকট নয়।

এমন কি আদৌ লক্ষণ নেই এরকমটাও দেখা গিয়েছে। তাই জ্বরের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তার দেখানো জরুরি।

সাধারণ জ্বরের লক্ষণ: এই সময়ে আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য যে জ্বর আসে তাদের সাধারণভাবে সবার আগে সর্দি হতে যায়। নাক দিয়ে পানি পড়ার প্রবণতা তৈরি হয়। করোনা আক্রান্তদের ক্ষেত্রে খুব কমই নাক দিয়ে পানি পড়ার লক্ষণ দেখা গিয়েছে। তাই সর্দি থাকলে সাধারণ জ্বর হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে আবারও বলে রাখি যে কোন জ্বরে ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন।

গলা ব্যথা: গলা ব্যথা মানেই করোনা নয়। ঠান্ডা পানি খাওয়া থেকেও গলা ব্যথা হতে পারে। তাই শুধুমাত্র গলায় ব্যথা থাকলে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।

যখন পরীক্ষা করাবেন: এই সময়ে পরিবর্তনের জন্য জ্বর হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি সমস্যা। তাই জ্বর হলে অযথা উদ্বেগ না বাড়ানোই ভালো। যদি জ্বরের সঙ্গে শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। আর যদি অন্যান্য ধরনের জ্বর এর থেকে বেশি সময় ধরে এই জ্বর শরীরে থাকে তাহলে অবশ্যই বিষয়টাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যারা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের থেকে ছড়ানো সম্ভাবনা সব থেকে বেশি। তবে যদি সেই ব্যক্তি যদি না জানেন যে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন কিনা তাহলে অনেক বেশি মাত্রায় ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। সেই জন্য যেখানে বহু মানুষের সমাগম সেখানে যেতে বারণ করা হচ্ছে।

আমারসংবাদ/জেআই