রবিবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

১১ ফাল্গুন ১৪২৬

ই-পেপার

আমার সংবাদ ডেস্ক

জানুয়ারি ২২,২০২০, ০৫:২৪

ফেব্রুয়ারি ০৯,২০২০, ১০:০৯

১৮ হাজার নিয়োগ প্রার্থীকে আশার বাণী শোনালেন অ্যাডভোকেট

সরকারি ঘোষিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নীতিমালা না মেনে ১৮ হাজার ১৪৭ শিক্ষক নিয়োগ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন উচ্চ আদালত। এসব প্রার্থীদের নিয়োগে বাঁধা দূর করতে আইনি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। নারী কোটায় শতকরা ৬০ ভাগ নিয়োগেও আইনি সহায়তা দেবেন শিক্ষাসংক্রান্ত মামলা পরিচালনায় অভিজ্ঞ এ আইনজীবী। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের সাংবাদিকদের কাছে অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া এ কথা বলেন। ইতোমধ‌্যে এই আইনজীবী সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় নারী কোটায় ভোলা জেলায় ২৯টি পদ সংরক্ষণ করতে উচ্চ আদালত থেকে নির্দেশনা পেয়েছেন। ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে কোটা সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসরণ না করায় আদালত সম্পূর্ণ নিয়োগ নিয়ে রুল জারি করেছেন। এছাড়া কয়েকটি জেলার প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত করেছেন উচ্চ আদালত। উচ্চ আদালতের এসব আদেশের ফলে ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ১৮ হাজার ১৪৭ জনের নিয়োগ প্রক্রিয়া ঝুলে গেছে। ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া আরো বলেন, ১৮ হাজার ১৪৭ জনের নিয়োগ চূড়ান্ত করতে আমি আইনি সহায়তা দিতে প্রস্তুত। একইসঙ্গে প্রত্যেক জেলায় নারী কোটায় বাদ পড়া নিয়োগ প্রার্থীদেরও তাদের অধিকার আদায়ে সহায়তা দিচ্ছি। নোয়াখালী, কুমিল্লা, পাবনা, বরিশাল বিভিন্ন জেলার প্রার্থীরা এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি, ৩২ হাজার প্যানেল শিক্ষকের পক্ষে আমার যে মামলা পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আইনি সমস্যায় পড়া প্রার্থীদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হবো। এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসারে নিয়োগ না দেওয়ার গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ১৮ হাজার ১৪৭ জনের নিয়োগ কেন বাতিল করা এই মর্মে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এর ধারাবাহিকতায় ১৬ জেলার প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ স্থগিতও করেছেন উচ্চ আদালত। আমারসংবাদ/জেআই