বৃহস্পতিবার ০৪ জুন ২০২০

২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

আবদুর রহিম ও মাহমুদুল হাসান

প্রিন্ট সংস্করণ

মার্চ ২৪,২০২০, ০১:৩০

মার্চ ২৪,২০২০, ০১:৩০

এখনো অগোছালো প্রস্তুতি

  • নতুন আক্রান্ত ৬, একজনের মৃত্যু, মোট আক্রান্ত ৩৩ জন
  • আতঙ্কে ভিড় মাড়িয়ে ঢাকা ছাড়ছেন সবাই, বিপর্যয়ে গ্রাম
  • নেই পিপিই, মৃত্যুঝুঁকি নিয়েই সেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা
  • এখনো সড়কে-ফুটপাতে জটলা বাঁধা লোকসমাগম
  • দরিদ্র শ্রেণির জন্য এখনো করা হয়নি পরিকল্পনা
  • চিকিৎসক আক্রান্ত, হাসপাতাল পরিচালক কোয়ারেন্টাইনে
  • শিবচরে এক প্রবাসীর মাধ্যমে পরিবারের সাতজন আক্রান্ত

করোনায় আক্রান্ত দুনিয়ার বেশির ভাগ রাষ্ট্র লকডাউন। কিন্তু এখনো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ। চলছে গণপরিবহনও। এখনো সড়কে-ফুটপাতে জটলা বাঁধা লোকসমাগম।

আতঙ্কে ভিড় মাড়িয়েই ঢাকা ছাড়ছেন সবাই। বিপর্যয়ে গ্রাম। নেই পার্সোনাল প্রোটেকশন ইক্যুইপমেন্ট (পিপিই), মৃত্যুঝুঁকি নিয়েই সেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। দিন এনে দিন খাওয়া মানুষদের নিয়ে এখনো করা হয়নি কোনো পরিকল্পনা।

সন্দেহজনক ব্যক্তিদেরও সহজে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। নিশ্চিত করা যায়নি টেস্টও। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখনো পৌঁছেনি পূর্ণাঙ্গ উপকরণ। সমন্বিতভাবে এখনো করা হয়নি জাতীয় সুরক্ষা কমিটিও। এখনো রাষ্ট্র থেকে শোনানো হচ্ছে আস্থাহীন বক্তব্য।

গতকাল স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘পার্সোনাল প্রোটেকশন ইক্যুইপমেন্টের (পিপিই) এখনই তেমন প্রয়োজন নেই।’ কিন্তু একই সময়ে চিকিৎসক আক্রান্তের খবরও গণমাধ্যমে এসেছে। দায়িত্বশীলদের আলোচনা, প্রস্তুতি ও পরিকল্পনায় সচেতন মহল আস্থার চোখে দেখছে না।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘চিকিৎসা প্রস্তুতিতে এখনো কিছুটা ঘাটতি আছে। জরুরি পদক্ষেপ নেয়া হবে। তবে করোনায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশে বড় ধরনের আক্রান্তের লক্ষণ অনেকটা দৃশ্যত।

গতকাল পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিনজনে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ছয়জন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ জনে। সন্দেহভাজন মৃত্যুর তালিকায়ও আছে বেশ কয়েকজন।

অগোছালো প্রস্তুতির মধ্যেই করোনার বিস্তার রোধে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতের ওপর।

চারটি দেশ ও অঞ্চল ছাড়া সব দেশ থেকেই যাত্রী আসা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মুলতবি করা হয়েছে জামিন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি ছাড়া নিম্ন আদালতের বিচারিক কাজ।

স্থগিত করা হয়েছে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঘোষিত নানা কর্মসূচি। এরই মধ্যে মাদারীপুরের শিবচর ও গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলাকে লকডাউনও ঘোষণা করা হয়েছে।

গতকাল টানা ১০ দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাজধানীর নিউ মার্কেটসহ ডিএসসিসির সব মার্কেট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যানবাহন সীমিত করতে নির্দেশনাও এসেছে। সতর্কতায় মাঠে নামছে সেনাবাহিনী।

গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহভাজন আরও আক্রান্ত হিসেবে ৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে আরও ছয়জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সর্বমোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬২০ জনের।সব মিলিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচজন।

এর বাইরে আইসোলেশনে আছেন ৫১ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত অনলাইন লাইভ ব্রিফিংয়ে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান।

ডা. ফ্লোরা জানান, নতুন করে আক্রান্ত ছয়জনের একজন স্বাস্থ্যকর্মী। এ নিয়ে দেশে তিনজন স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আর দেশে যে ৩৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের ১৩ জনই বিদেশ থেকে এসেছেন।

এর মধ্যে ইতালির ছয়জন, যুক্তরাষ্ট্রের দুইজন, ইউরোপের অন্যান্য দেশে থেকে দুইজন, বাহরাইন থেকে একজন, ভারত থেকে একজন এবং কুয়েত থেকে একজন এসেছেন। ব্রিফিংয়ের শুরুতে করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে নাগরিকদের করণীয় তুলে ধরেন ডা. ফ্লোরা।

নিউ মার্কেটসহ ডিএসসিসির সব মার্কেট বন্ধ : করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মালিকানাধীন ৬৫টি মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন মার্কেট ফেডারেশন।

২৪ মার্চ রাত ৮টা থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত এসব মার্কেট বন্ধ থাকবে। তবে এ ফেডারেশনের আওতাধীন ১৩টি কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। গতকাল সোমবার দুপুরে বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সে সংগঠনটির এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মার্কেট ফেডারেশন সূত্র জানায়, তাদের ফেডারেশনের অধীনে সিটি কর্পোরেশনের মোট ৭৮টি মার্কেট রয়েছে। এর মধ্যে কাঁচাবাজার ১৩টি। এসব মার্কেটে প্রায় লক্ষাধিক মালিক এবং কর্মচারী রয়েছেন।

মার্কেটগুলোতে দিনে ১৫ থেকে ২০ লাখ ক্রেতা কেনাকাটা করেন। গত কিছুদিন ধরে তাদের সবার মধ্যে করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক কাজ করছে। তাই দোকান মালিক, শ্রমিক এবং ক্রেতাদের নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে রেখে নিউ মার্কেটসহ ৬৫টি মার্কেট বন্ধে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তবে বন্ধের সময় মার্কেটের নিরাপত্তাকর্মীরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবেন। বৈঠকে সিটি কর্পোরেশন মার্কেট ফেডারেশনের সভাপতি জহির উদ্দিন বাবর, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

করোনা সংক্রামণ ঠেকাতে বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ : ভারতে করোনা পরিস্থিতি দিনে দিনে অবনতির পথে। নিজেদের ও প্রতিবেশী বাংলাদেশের ঝুঁকি এড়াতে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে পাঁচদিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। গত রোববার থেকে আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

এর প্রেক্ষিতে গত রোববার পেট্রাপোল হয়ে এদেশে সব ধরনের পণ্য আমদানি বন্ধ ছিলো।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে গত রোববার সকাল থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব বলেন, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট খোলা থাকবে।

ডেলটা হাসপাতালের চিকিৎসক আক্রান্ত, পরিচালক কোয়ারেন্টাইনে : রাজধানীর মিরপুর ডেলটা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক করোনা সংক্রমিত হয়ে মারা যাওয়া বৃদ্ধকে চিকিৎসাসেবা দেয়া এক চিকিৎসক এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, কোয়ারেন্টাইনে আছেন ওই হাসপাতালের পরিচালক। আক্রান্ত ওই চিকিৎসক বর্তমানে উত্তরার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আইসোলেশনে আছেন।

গত শনিবার টোলারবাগের ওই বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তার চিকিৎসায় নিয়োজিত ওই হাসপাতালের চার চিকিৎসক, ১২ জন নার্স ও তিনজন কর্মীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছিল।

তাদেরই একজন পরীক্ষায় ‘করোনা ভাইরাস পজিটিভ’ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এ ছাড়াও অসুস্থ বোধ করায় গত রোববার থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ডেল্টা হাসপাতালের পরিচালক ডা. বদিউজ্জামানও।

রাজধানীর মিরপুরে করোনা আতঙ্ক : মিরপুরে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হয়ে একজনের মৃত্যুর পর থেকে মিরপুর উত্তর টোলারবাগ এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। টোলারবাগে মৃত ওই ব্যক্তি আক্রান্ত অবস্থায় বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ানোয় স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন, এই ভাইরাস ইতোমধ্যে আশেপাশে ছড়িয়ে যেতে পারে।

এমন অবস্থায় খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না কেউ। টোলারবাগে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন এমন একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মহল্লায় একজনের করোনায় মৃত্যু হয়েছে— এই খবর শোনার পর থেকে গায়ের রক্ত হিম হয়ে আসছে। এখন কেউ সহজে ঘর থেকে বের হয় না।

রাস্তাঘাটে তেমন লোকজন নেই। সবাই এক ধরনের গৃহবন্দি। বাড়ির কাজের লোকদেরও আসতে মানা করা হয়েছে। আমাদের ধারণা, ওই ব্যক্তির মাধ্যমে এই ভাইরাস হয়তো অনেকটাই ছড়িয়ে পড়েছে।

খুলনার সঙ্গে রাজধানীসহ সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ : করোনা ভাইরাসের প্রদুর্ভাব রোধ করতে রাজধানীসহ সারা দেশের সঙ্গে বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে খুলনার বাস মালিক ও শ্রমিক সমিতি। আগামীকাল বুধবার থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

খুলনার আগে রাজশাহী থেকে সারা দেশের পরিবহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে খুলনার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল করবে। এই সিদ্ধান্তকে স্থানীয় আখ্যা দিয়ে পরিবহন মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, রাজধানীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত তারা নেননি। সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।

শিবচরে এক প্রবাসী থেকে সাতজন আক্রান্ত : শিবচরে গত ৭ মার্চ এক ইতালি প্রবাসী থেকে তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজন মিলে সাতজনের শরীরে করোনা সংক্রমিত হয়েছে।

এদের মধ্যে রয়েছে ওই প্রবাসীর ইতালিফেরত আরেক বন্ধু, তার স্ত্রী, শ্বশুড়বাড়ির লোকজনসহ ছয়জন। নিজের একটু অসতর্কতা উপজেলাটিতে করোনার ভয়াবহ বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছে। ৭ মার্চ দেশে ফিরে এলেও ধরা পড়ে ১১ মার্চ। ততদিনে তিনি এভাবেই অবাধ বিচরণের কারণে ছয়জনকে সংক্রমিত করেছেন।

তাই তাৎক্ষণিক তার পরিবার ও স্বজনদের কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। দেশের সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী মাদারীপুর জেলার ওই উপজেলায় শনাক্ত হওয়ায় সরকার উপজেলাটি লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়।

সরকারের হিসাব মতে, উপজেলাটিতে ৬৮৪ জনের বেশি বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন। তাদের অনেকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনেও থেকেছেন।

সরকারের প্রস্তুতি বিষয়ে জানাতে গিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া আছে। সারা দেশে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে পাঁচটি কমিটি করা হয়েছে।

সেই কমিটি বিদেশফেরতদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ১০০ আইসিইউ বেড স্থাপন করা হয়েছে। আরো তিন শত আইসিইউ বেড স্থাপন করা হবে। দেশের জেলা সদর হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য ১০০ বেড প্রস্তুত করা হয়েছে।

ঢাকার আগের ছয় হাসপাতাল এবং নতুন করে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ও শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল করোনা রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

এই আট হাসপাতালে দুই হাজার বেড করোনা রোগীদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আরো ঝুঁকি এড়াতে টঙ্গী ইজতেমা ময়দান ও দিয়াবাড়ি আবাসন প্রকল্পকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আরো খারাপ হলে সে বিষয়েও সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, সোস্যাল মিডিয়াতে করোনা পরীক্ষার কিট ও চিকিৎসকদের পার্সোনাল প্রটেকশন ইক্যুইপমেন্ট (পিপিই) নিয়ে অনেক কথা শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে বলতে চাই।

এখন আমাদের কাছে দুই লাখ করোনা টেস্টিং কিট রয়েছে। প্রতিদিন আমাদের হাতে কিট, মাস্ক ও পিপিই আসছে। কিট কিংবা পিপিইর কোনো স্বল্পতা নেই।

আমারসংবাদ/এসটিএমএ