মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২০

২০ শ্রাবণ ১৪২৭

ই-পেপার

আলী আবদুল মুনতাকিম

ডিসেম্বর ১৪,২০১৯, ০৮:১১

ফেব্রুয়ারি ০৯,২০২০, ১০:০৯

স্যালুট গাম্বিয়া জিতুক গাম্বিয়া, ধ্বংস হোক সু’চি গং

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। পাখির দেশ এটি। বৃটিশ উপনিবেশ থেকে ১৯৬৫ সালে স্বাধীনতা লাভ করা দেশ। দেশটি সাপের মত লম্বা আঁকাবাকা। আটলান্টিকের দিকে মুখ হা করে সতত ২৪ ঘন্টা আটলান্টিকের পানি গিলছে আর ফেলছে। এখন মায়ানমারকে গিলে ফেলতে পারলেই হল। ২০,৬৯০ কিলোমিটারের দেশটিতে ১৯ লাখ লোকের বসবাস। ৯৫% মুসলমান। দেশটির তিনদিকে সেনেগাল। বর্তমান রাষ্ট্রপতি এডেমা বারো। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে জামমেহকে পরাজিত করার পরে জানুয়ারি ২০১৭ সালে অ্যাডামা ব্যারো গাম্বিয়ার তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হন। অভিনন্দন গাম্বিয়া ও তার সরকারকে। সবার কাছে সুপরিচিত ইসলামি ব্যক্তিত্ব ড. বিলাল ফিলিপস কতৃক প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক অনলাইন বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইইউ) মূল ক্যাম্পাস গাম্বিয়ার কানিফিং শহরে। এই অনলাইন ভিত্তিক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বিশ্বের ২৫০টির মতো দেশে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে চার লাখ ৩৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। এই ছোট্ট দেশটি আজ গোটা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করল। মাশাআল্লাহ, মারহাবা!! বিশ্বের সব দেশের দৃষ্টি এখন গাম্বিয়াট দিকে। কী কারণ? এই শতাব্দীর সেরা মিথ্যাবাদি, শান্তির নোবেলের গায়ে কলঙ্ক লেপনকারী, বার্মার নরপিশাচের দল সামরিক জান্তার পদলেহনকারি পুতুল ‘স্টেট কাউন্সিলর’ অং সাং সু’চিকে মুসলিম রোহিঙ্গা জাতি নিধনে ও গণহত্যার আসামিদের প্রতিনিধিত্ব করতে বিশ্ব আদালত (আইসিজে) নেদারল্যান্ডসের দি হেগেতে হাজির হতে হয়েছে গাম্বিয়ার আন্তরিকতা, পরিশ্রম ও নির্যাতিত বার্মার মুসলিম ভাইদের প্রতি দায়িত্বশীল জোরালো ভূমিকা রাখার কারণে। হেগেতে খুনির সহযোগী সুচি কি প্রস্তুতি নিয়ে গেছেন, কী বলবেন, তিনি কে, তার দেশটিই বা কেমন একটু জেনে নেই চলুন। রোয়াই, স্রোহং, রোয়াং, রোসাংগ, রোহিঙ্গা নানা নাম ধরে ধরে শত বছরে শেষ পর্যন্ত রোহিঙ্গা নামটি বিশ্ব পরিচিতি পেয়েছে। ১৪৩০ খৃষ্টাব্দ থেকে গৌরের সুলতান জালালুদ্দিন শাহ এবং আরাকানের সুলেমান শাহ মিলে যে আরাকান সভ্যতা তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন, এশিয়ার মুসলমানদের ইতিহাস ঐতিহ্যের বিশালটা জুড়েই রয়েছে আরাকান সভ্যতার সেই সে ইতিহাস। ১৪৩০ থেকে ১৭৮৪ পর্যন্ত বলা যায় গৌড়ের মুসলিম সুলতানদের প্রভাবে চালিত হত আরাকান। রাজারা নিজ নামের সাথে মুসলিম নাম যোগ করতেন। মুদ্রায় মুসলিম নাম ও কলেমা লেখা থাকত। সেনাবাহিনীর সব সদস্যই মুসলিম ছিল। আর আজ? পূর্বাপর একটু জানা দরকার। একটি জাতীয় দৈনিকের বিশ্লেষণে দৃষ্টি দেই- ‘রোহিঙ্গারা সর্বপ্রথম জুলুমের শিকার হয় ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে। বার্মার খ্রিস্টান রাজা সে সময় আরাকান দখল করে নেন। এরপর রোহিঙ্গারা বড় ধরনের নির্যাতনের শিকার হয় ১৯৪২ সালে, যখন জাপান বার্মা দখল করে নেয়। এসব নির্যাতনের সব মাত্রা ছাড়িয়ে রোহিঙ্গাদের ওপর ধারাবাহিক নিপীড়ন-নির্যাতন শুরু হয় ১৯৬২ সালে, সামরিক জান্তার ক্ষমতা দখলের পর থেকে। নিপীড়ন চরম আকার ধারণ করে ১৯৮২ সালে মিয়ানমারের নতুন নাগরিকত্ব আইন প্রণয়নের ফলে। এ আইন কার্যকর হওয়ার পর বাতিল হয়ে যায় রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব। তখন থেকে মানুষ হিসেবে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকারও অচল হয়ে পড়ে। ১৯৪২ সালে জাপান বার্মা দখল করার পর স্থানীয় মগরা জাপানি সৈন্যদের সহায়তা নিয়ে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। ইতিহাসে এটি ১৯৪২ সালের গণহত্যা নামে খ্যাত। তখন লক্ষাধিক রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যা করা হয় স্বাধীনতা-উত্তর ১৯৪৭ সালের শাসনতান্ত্রিক নির্বাচনে ইংরেজদের দেওয়া ‘সন্দেহভাজন নাগরিক’ অভিধার কারণে মুসলমানদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। উ ন নামক শাসক আরাকান থেকে মুসলমানদের বিতাড়নের উদ্দেশ্যে ১৯৪৮ সালে মগ সেনাদের নিয়ে Burma Territorial Force গঠন করে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। পরিকল্পিতভাবে মুসলিম বুদ্ধিজীবী, গ্রামপ্রধান, আলেম-ওলামা, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হয় এবং মুসলমান অধ্যুষিত গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, আর সেখানে মগদের জন্য বসতি নির্মাণ করা হয়। ১৯৬২ সালের ২ মার্চ উ নকে হটিয়ে ক্ষমতা দখলের পর নে উইন সংখ্যালঘুদের সব সাংবিধানিক অধিকার বাতিল করে দেন। ১৯৬৪ সালে রোহিঙ্গাদের সব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নিষিদ্ধ করা হয় এবং ১৯৬৫ সালের অক্টোবর থেকে Burma Broadcasting Service থেকে প্রচারিত রোহিঙ্গা ভাষার সব অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই বার্মা সরকার ১৯৭৩ সালে উত্তর আরাকানে Major Aung Than operation ও ১৯৭৪ সালে Sabe operation নামে রোহিঙ্গা উচ্ছেদ অভিযান চালায়। ফলে হাজার হাজার রোহিঙ্গা জীবন রক্ষার্থে যুদ্ধবিধ্বস্ত দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলাদেশে এসে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করে। সে সময় তৎকালীন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃঢ় অবস্থান ও চরমপত্রের কারণে বার্মা সরকার বিতাড়িতদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। তারপর তিন বছর যেতে না যেতেই সামরিক জান্তা ‘কিং ড্রাগন অপারেশন’ নামে রোহিঙ্গা উচ্ছেদে ভয়াবহ অভিযান শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৪, ১৯৮৫, ১৯৯০ এবং ২০১২ সালে রোহিঙ্গা উচ্ছেদে বর্বরতম অভিযান পরিচালনা করে বার্মার সামরিক জান্তা। শতাব্দীকাল ধরে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চলা নির্মম নির্যাতনের বিষয়টি এখন গোটা বিশ্বের সামনে পরিষ্কার। এটাও স্পষ্ট যে শুধু মুসলমান হওয়ার কারণেই তাদের ওপর নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানো হচ্ছে। জেনারেল নে উইন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সব মিয়ানমার সরকারই মৌলিক মানবাধিকার বন্ধ রেখে রোহিঙ্গাদের সার্বিক বিনাশের খেলায় মত্ত। রোহিঙ্গারা পৃথিবীর অন্যতম রাষ্ট্রবিহীন মানুষ। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের রাষ্ট্রবিহীন ঘোষণা করে তাদের বিরুদ্ধে করা সব ধরনের অপরাধকে বৈধতা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের কোনো অনুচ্ছেদই সেখানে মানা হচ্ছে না। জাতিসংঘসহ অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থা রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে এ কথা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে রোহিঙ্গারা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী।’ ২০১৭ সালের অগাস্ট থেকে বার্মার বর্বর সামরিক জান্তার নির্মূল অভিযান ইতিহাসের সব কলংক ছাপিয়ে যায়। গুলি করে, জবাই করে, হাতপা কেটে, গণ ধর্ষণ করে, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে, গোটা রোহিঙ্গা জাতিকে নির্মূলের যে অভিযান পরিচালিত হয় তার ফলে বাংলাদেশেে ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা পালিয়ে আসে। গোটাবিশ্ব হতবাক হয়। চায়না ও ভারত চুপ থাকলেও প্রায় সব দেশ নিন্দা ও ধিক্কার জানায়। কারো কথাই পাত্তা দেয় না বার্মা। তাদের মুসলিম জাতি নির্মূলের নিষ্ঠুর নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র বিশ্ব মানুষের মোবাইলে ধারণ করা আছে। সূচি কি তা জানেন না? অনেক সাহস তার! আসুন সুচিকে চিনে নেই লন্ডনে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বার সময় সুচি এক পাকিস্তানি বন্ধুর প্রেমে পড়ছিলেন। তাকে বিয়ে করতে জোড় করেছিলেন। সুদর্শন পাকিস্তানি বন্ধুটি তাকে বিয়ে না করায় বিষয়টি বুঝিয়েও বলেছিলেন। সুচি বুঝ মানেননি। সেই থেকে তার মুসলিম বিদ্বেষ। বর্বর হায়েনা জান্তার প্রতিনিধি সুচি ১৯৪৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। মিয়ানমারের মুক্তি আন্দোলনের নেতা অং সানের সন্তান তিনি। অং সান ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে গুপ্ত হত্যার স্বীকার হন। ১৯৬০ সালে সুচির মা খিন চি ভারতে রাষ্ট্রদূত থাকাকালে সুচি সেখানেই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন, রাজনীতি এবং অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করেন সু চি। তিনি বর্মী, ইংরেজি, ফরাসি ও জাপানি ভাষা জানেন। ১৯৮৮ সালে অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তাকে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) যারা ১৯৯০ সালে মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে। কিন্তু সামরিক সরকার সময়ে ১৯৮৯ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে বেশির ভাগ সময় তিনি গৃহবন্দি ছিলেন। ১৯৯১ সালে গৃহবন্দি থাকা অবস্থাতেই তাকে নোবেল শান্তি পুরষ্কার দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের জাতীয় নির্বাচনে সুচির দল এনএলডি নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। ২০১৬ সালে স্টেট কাউন্সিলর পদ সৃষ্টি করে সামরিক বাহিনী। এই পদে আসীন হয়ে তিনি রাষ্ট্রপতির অফিস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেন। যদিও অদৃশ্যভাবে সব ক্ষমতা থেকে যায় সামরিক বাহিনীর হাতেই। আজ তিনি সামরিক জান্তার পুতুলের ভূমিকা পালন করতে নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গেছেন। ১৯৪৫ সালে গঠিত ওয়ার্ল্ড কোর্ট বা ইন্টরন্যাশনাল কোর্ট ফর জাস্টিস (আইসিজে) এর সদর দফতরে মিয়ানমারের গণহত্যার বিচার কাজ ‘নেদারল্যান্ডস এর দি হেগে’ ১০ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ঝানু, অভিজ্ঞ ও প্রাজ্ঞ বাছাইকৃত বিচারক, চেয়ারম্যান আব্দুল কাওয়াই ইউসুফ এর নেতৃত্বে যে শক্ত বিচার হবে তা সুচি বোধহয় আন্দাজে ভুল করেছেন। সামনের নির্বাচনেে জেতার হাতিয়ার বানানোর কৌশল হিসাবে কোর্টে গিয়ে মিথ্যা বলায় হিতে বিপরীত হতে পারে তার। ইতোমধ্যে তিনি অত্যন্ত গর্হিত ও নিন্দনীয় কিছু কথা বলেও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের নিন্দার পাত্রে পরিণত হয়েছেন। তিনি জঘন্য একটি কথা বলেছেন, নোংরা রোহিঙ্গা মেয়েদের স্পর্শ করার রুচি নাকি বার্মাবাসীর নেই। অথচ অক্সফোর্ডের সুচির বন্ধু মুসলিম যুবক সুচিকে বিয়েই করেনি রুচিতে বাঁধে বলে। সুচি জোর দিয়ে বলেন, গাম্বিয়ার উপস্থাপিত অভিযোগ নাকি সম্পূর্ণ মিথ্যা। নির্যাতনের ভিডিওগুলো যদি তিনি মিথ্যা বলেন তিনি পাগল ছাড়া আর কি কিছু? ক্ষমতা সুচিকে পাগল করে দিয়েছে। ওআইসি র ভূমিকা নিঃসন্দেহে প্রশংসাযোগ্য। ২০১৮ সালের ৩০-৩১ মে বাংলাদেশে ওআইসি সম্মেলনের ঢাকা ঘোষণার ৪৭ নং অনুচ্ছেদে ওআইসির পক্ষে গাম্বিয়াকে বার্মার বিরুদ্বে মামলা করার নির্দেশ দেয়া হয়। কারণ আছে বৈকি। বার্মা নির্যাতনের প্রথম থেকেই একমাত্র দেশ গাম্বিয়াই সোচ্চার ছিল নির্যাতিত মুসলমানদের পাশে। গাম্বিয়ার প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচারমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু। তার সবরকম সহায়তা করে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মামাদু তাঙ্গারা। মামলার সার্বিক খরচ ধরা হয়েছে ১০/১২ মিলিয়ন ডলার। সৌদি আরব, তুরস্ক, কুয়েত, কাতার, বাংলাদেশ এ অর্থ যোগানে সহযোগিতা করবে। বিশ্বের সকল মুসলিম দেশ এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসবে বলে মিল্লাতে মুসলিম আশা করে। মালয়শিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ব্রুনেই, মিশর, লিবিয়া, মৌরতানিয়া, মরক্কো, পাকিস্তান, মালদ্বীপ আমিরাত, সুদান দেশগুলোর জোরদার ভূমিকা বিশ্ববাসী দেখতে চায়। মিয়ানমারের দৃষ্টান্তমূলকমূলক শাস্তি চাই। আর কোন দেশ যেন মুসলিমদের নির্যাতনে সাহস না পায়। আরও আগে মায়ানমারকে চেপে ধরলে ভারত দশবার চিন্তা করত কাশ্মীর নিয়ে কিছু করতে বা নাগরিকত্ব বিল পাশ করতে। চিন ও ভাবত উইঘুরের মুসলিমদের নির্মূলের পরিকল্পনা হাতে নিতে। আমরা কামনা করি, জোরালো সমর্থন করি গাম্বিয়া তথা মুসলিম ইউনিটি জিতে যাক, ধ্বংস হোক সুচি গং ও তার উত্তরসুরিরা। লেখক: আলী আবদুল মুনতাকিম, ডিজিএম, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট। আরআর