বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০

২৮ শ্রাবণ ১৪২৭

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিসেম্বর ১২,২০১৯, ০৯:০৫

ফেব্রুয়ারি ০৯,২০২০, ১০:০৯

রোববার সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি খারিজ হয়ে যাওয়ায় আগামী রোববার (১৫ ডিসেম্বর) সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মিছিল করবে বিএনপি। একই দিনে ঢাকা মহানগরে সকল থানায়বেলা দুইটায় এই কর্মসূচি পালন করবে দলটি। এছাড়া দলের চেয়ারপারসনের মুক্তি আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বিজয় দিবস অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে পালন করবে তারা। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মির্জা ফখরুল বলেন, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন আজকে খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। এ রায়ে সারাদেশের মানুষ আজ হতাশ এবং ক্ষুব্ধ। মানুষ আশা করেছিল দেশের সর্বোচ্চ বিচার ব্যবস্থা মানুষের সর্বশেষ আশা-আকাঙ্ক্ষার স্থল সেখান থেকে তাদের নেত্রীর সুষ্ঠু বিচার পাবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেখান থেকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি বলেন, আজকে মানুষের যে আস্থা রাষ্ট্রের প্রতি রয়েছে সে আক্তার যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের সকল গণতান্ত্রিক কাঠামো আস্তে আস্তে ধ্বংস করে দিয়েছে। ২০১৪ সালে তার একটা পুতুল সরকার গঠন করেছিল আর এবারের নির্বাচন ৩০ তারিখের ভোট ২৯ তারিখ ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। সারাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার পাশের রাজত্ব কায়েম করেছে বলে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, প্রতিবাদের মাধ্যমে তারা এদেশে মানুষের মধ্যে ভয় ভীতির সৃষ্টি করেছে। যাতে করে সবাই ভয়ের মধ্যে থাকে। মামলা হচ্ছে তাদের প্রধান অস্ত্র। আর সেই অস্ত্র তারা প্রথম থেকেই ব্যবহার করে আসছে। তিনি বলেন,আগামী ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস। আমরা দিনগুলোকে এজন্যই স্মরণ করতে চাই- দেশের মানুষের রক্তকে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু আমাদের সামনে যে মূল চেতনা ছিল সেটি ছিল একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা। আজ ৪৮ বছর পরেও আমরা দেই স্বপ্ন লালন করেছি, সে স্বপ্ন তারা আজ খানখান করে দিয়েছে। ‘আমরা এ দিনটিকে আরো বেশি করে স্মরণ করতে চাই কারণ এই চেতনাকে ধারণ করে যাতে করে আমরা আমাদের গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে পারি, এর জন্য যিনি সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে যাতে মুক্ত করতে পারি সেজন্যই আমরা এই দিনগুলোকে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করতে চাই। সন্ধ্যা ৬ টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুরু হওয়া বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর খন্দকার মোশাররফ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান এবং বিএনপির সিনিয়র আইনজীবী জয়নাল আবেদীন। এআর/আরআর