সোমবার ০১ জুন ২০২০

১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

জালাল উদ্দিন, সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা)

নভেম্বর ১২,২০১৯, ০৫:৫৩

ফেব্রুয়ারি ০৯,২০২০, ১০:০৯

সাদুল্লাপুরে গর্ভবতী গাভি জবাইয়ের অভিযোগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাট বাজারে ৫ মাসের এক গর্ভবতী গাভি জবাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে আহত ৫ মাসের গর্ভবতী বিদেশি সাদা রঙের একটি গাভি ৬৫ হাজার টাকায় কিনে আনেন ধাপেরহাটের এক মাংস ব্যবসায়ী। গাভিটি রংপুর পীরগঞ্জের সয়েকপুর গ্রামের আলম নামের গরু ব্যবসায়ীর। গাভিটি কয়েক দিন পূর্বে হঠাৎ অসুস্থ হয়। তাই তিনি ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার ৪ মণ ওজনের গাভিটি মাত্র ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ধাপেরহাটের মাংস ব্যবসায়ী পীরগঞ্জের কাবিলপুর ইউনিয়নের হামিনপুর গ্রামের মৃত মেছের আলীর পুত্র ছকমাল হোসেনের ছেলে ৫৫ হাজার টাকা নগদ ১০ হাজার টাকা বাকি রেখে রাতের বেলায় গাভিটি ভ্যানে করে বাড়ির দিকে নিয়ে যায়। গরু বিক্রির ব্যাপারে মালিক সয়েকপুর গ্রামের আলম (দাদাল) জানায়, গরুর মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যাওয়ায় মাংস ব্যবসায়ীর নিকট বিক্রি করি। তবে কার কাছে গাভি বিক্রি করেন এবং সেটি গর্ভবতী কিনা সে বিষয়ে মুখ খোলেননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন এলাকাবাসী জানান, গাভিটি কমপক্ষে পাঁচ মাসের গর্ভবতী ছিল। হাট সভাপতি ধাপেরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম (নওশা মন্ডল) বলেন, বিষয়টি আমার কানে এসেছে। অসুস্থতার কারণে মাংস ব্যবসায়ীদের সাথে দেখা বা মোবাইলে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে ছকমালের সাথে কথা বললে তিনি জানান, গাভিটি জবাই করা হয়নি। তবে গাভিটি দেখতে চাইলে তিনি দেখাতে পারেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাংস ব্যবসায়ী বলেন, ছকমাল গরু জবাইয়ের ঘরে কোনো গরু জবাই করেনি। কিন্তু সে এবং তার ছেলেদের মাংস বিক্রি করতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নবী নেওয়াজ বলেন, ইউনিয়নের স্থানীয় সরকার পশু জবাই এর বিষয়টি দেখেন। তবু অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে ধাপেরহাট বাজারের হাট ইজারাদার মো. ওয়াজেদ আলী মন্ডল (সাফী) জানান, মাংস ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে অনুরূপ বিষয়ে সতর্ক করা হলেও তারা তা শুনছে না বা মানছে না। বিষয়টি সমাধানে যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এমআর/আরআর