বুধবার ০৮ এপ্রিল ২০২০

২৫ চৈত্র ১৪২৬

ই-পেপার

প্রিন্ট সংস্করণ॥আবদুর রহিম ও রফিকুল ইসলাম

জানুয়ারি ১৪,২০২০, ১০:২৯

ফেব্রুয়ারি ০৯,২০২০, ১০:০৯

হুঙ্কার-প্রতিশ্রুতিতে মাঠ গরম

প্রতিরোধের হুঙ্কার আর প্রতিশ্রুতিতে জমে উঠছে ভোটের মাঠ। বাড়ছে ভোটারদের আগ্রহ। রাজনৈতিক মহল এবং সচেতন ভোটাররা চোখ রাখছেন প্রচারণার মাঠে। সরকার বিরোধীরা এবার হুঙ্কার দিচ্ছেন প্রতিরোধের। প্রশ্ন তুলছেন অনিয়মের। জবাব চাইছেন নির্বাচন সুষ্ঠু পরিবেশের দায়িত্বে থাকা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন কী করছে। ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকে অভিযোগের তীর এখনো ছুড়ছেন। তবে এর প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের দাবি— বিরোধীপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। এর সঙ্গে তারা ক্ষমতাসীন সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে সবার কাছে ভোট চাচ্ছেন। প্রতিদিনই নয়া প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেন ঘোষণা দেন, এবার ভোটের মাঠে অনিয়ম হলে প্রতিরোধ করার। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি ২০১৫ সালে আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মতো দুঃসাহস দেখিয়েছে সন্ত্রাসীরা। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও এর থেকে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। আমাদের মোস্ট সিনিয়র নেতাদেরও রক্তাক্ত করা হয়েছিল, গুলি করা হয়েছিল। আমরা এসব কিছু মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত আছি। ভোটাররা যাতে সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারেন সেজন্য আমরা মাঠে থাকবো। আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়রপ্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস এমন প্রতিক্রিয়ার জবাব না দিলেও তিনি নয়া প্রতিশ্রুতির কথা বলেছেন। তিনি বলেন, প্রথম ৯০ দিনের মধ্যেই নাগরিকদের মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন ও মহাপরিকল্পনা করে ঢাকাকে উন্নতভাবে গড়ে তোলার কথা বলেছেন। এদিকে উত্তরের বিএনপি প্রার্থী তাবিথ আউয়াল প্রশ্ন তুলে বলেন, অনেক প্রার্থীর নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা হয়েছে, মাইক ভেঙে ফেলা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। তাবিথ বলেন, আমি মেয়রপ্রার্থী, আমার গণসংযোগের সময় প্রতিপক্ষ মিছিল নিয়ে, স্লোগান দিয়ে, ইটপাটকেল ছুড়ে আমাদের থামিয়ে দেয়া হয়েছে। আমি জানতে চাই, আমাদের যে ম্যাজিস্ট্রেটরা আছেন নির্বাচন কমিশনের, তারা কোথায় আছেন? এর জবাব দিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত উত্তরের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধীরা মিথ্যাচার করছেন। নির্বাচনি আচরণবিধি মেনেই তারা প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। প্রচারণার মাঠে বিরোধীপক্ষকে বাধা দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু বিরোধীপক্ষের প্রার্থীসহ নেতাকর্মীরা তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। সিটি কর্পোরেশনে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না জানিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়রপ্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আমি নির্বাচিত হলে ঢাকায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে সকল নাগরিকের মৌলিক সুবিধা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবো। দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকেই ঢাকাবাসীর জন্য কাজ করে যাবো। সিটি কর্পোরেশনে কোনো দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। সে জন্য ঢাকাবাসী আগামী ৩০ তারিখ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে উন্নত ঢাকা গড়ার সুযোগ দেবেন। গতকাল রাজধানীর মানিকনগর বাসস্ট্যান্ডে চতুর্থ দিনের নির্বাচনি প্রচারণার শুরুতে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় মানিকনগর বাসস্ট্যান্ডে পথসভা শেষ করে তাপস মুগদা, খিলগাঁও ও সবুজবাগ জনসংযোগে যোগ দিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট চান। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে আওয়ামী লীগের এই মেয়রপ্রার্থী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যে স্বপ্নের কথা বলছেন, তার সঙ্গে মিলে উন্নত রাজধানী গড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য মহাপরিকল্পনা করছি জানিয়ে তাপস বলেন, ৩০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা করে আমরা উন্নত ঢাকা গড়ে তুলবো। সেখানে প্রত্যেকটি রাস্তা-ঘাটের অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয় থাকবে। পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। সকল নাগরিকের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরও বলেন, ঐক্যবদ্ধভাবে উন্নত ঢাকা গড়তে নব সূচনার উন্মেষ হচ্ছে। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। প্রথম ৯০ দিনের মধ্যেই নাগরিকদের মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। ঢাকার মধ্যে সকল সংস্থা সমন্বয় করে কাজ করবে। ঢাকার কোনো স্থানের কাজ হলে তিন বছরের মধ্যে অন্য সংস্থাকে কাজ করতে দেয়া হবে না। রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন বলেন, এই ধরনের ঘটনা আমরা অতীতেও দেখেছি। ২০১৫ সালের সিটি নির্বাচনের সময়ও আমরা দেখেছি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মতো দুঃসাহস দেখিয়েছে সন্ত্রাসীরা। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও এর থেকে ন্যক্কারজনক ঘটনা, আমাদের মোস্ট সিনিয়র নেতাদেরও রক্তাক্ত করা হয়েছিল, গুলি করা হয়েছিল। আমরা এসব কিছু মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত আছি। নির্বাচনি প্রচারণায় পুলিশ নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করেছিল, বাধা দিয়েছে, এটা কতটা উদ্বেগজনক? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ইশরাক হোসেন এসব কথা বলেন। এছাড়া টিকাটুলির এ কে এম দাস লেনের উইমেন্স কলেজের সামনে থেকে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আজকে সকাল থেকে এ পর্যন্ত বাধার সম্মুখীন হই নাই। তবে আমরা আশঙ্কা করছি বাধার সম্মুখীন হতে পারি। আমারা মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি, যত বাধাই আসুক কোনো বাধা আমরা মানবো না। আমাদের কাজ আমরা চালিয়ে যাবো। ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ৩০ তারিখ আপনারা ভোট দিতে আসবেন। আপনারা যাতে সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারেন সেজন্য আমরা মাঠে থাকবো। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফিল্ড একটা তৈরি হয়েছে। ভোট ডাকাতির, ভোট কারচুপির এবং প্রতিপক্ষকে দমন করার একটা ফিল্ড তৈরি হচ্ছে। এটাকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলে নাকি জানি না। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে, তিন মাসের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রত্যেক ওয়ার্ড জনবসতি আনুপাতিক পাবলিক টয়লেট প্রতিস্থাপন করবো। সেখানে নারীদের জন্য এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে। ইশরাক বলেন, আমরা ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। যেসব এলাকায় গণসংযোগ করছি সেখানে বাসিন্দা, আমাদের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ আমাদের সমর্থন করছে। এর পর ফোল্ডার স্টেট রোড হয়ে জয়কালী মন্দির রোড, কাপ্তান বাজার, নবাবপুর রোড হয়ে বংশাল যুবদলের অফিসে এসে দুপুরের বিরতি দেন। এসময় হাজার হাজার নেতা-কর্মী ধানের শীষে ভোট চেয়ে স্লোগান দেন। বিকালেও বিভিন্ন জায়গায় গণসংসযোগ করেন। ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধীরা মিথ্যাচার করছেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত উত্তরের মেয়রপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনি আচরণবিধি মেনেই প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছি। প্রচারণার মাঠে বিরোধীপক্ষকে বাধা দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু বিরোধীপক্ষের প্রার্থীসহ নেতাকর্মীরা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। তারা এই ধরনের মিথ্যাচার করে অতীতের নির্বাচনেও দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। গতকাল রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তালতলা মার্কেটের সামনে থেকে নিজের প্রতীক নৌকার পক্ষে গণসংযোগের শুরুতেই আতিকুল এসব কথা বলেন। খিলগাঁও তালতলা মার্কেট থেকে গণসংযোগ শুরুর পর মাটির মসজিদের সামনে হয়ে আবুল হোটেল, রামপুরা ঘুরে বাড্ডা এলাকার আলাতুন্নেসা স্কুল হয়ে মধ্য বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় ভোট চান আতিকুল। নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণায় বাধা দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির প্রার্থীরা। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে আতিকুল বলেন, আমি আজ আসার পথেই দেখলাম, বিএনপির নেতাকর্মীরা ধানের শীষের স্লোগান দিয়ে ভোট চাচ্ছে, আমরা তো কোনো বাধা দেইনি। এটা বিরোধীপক্ষের মিথ্যাচার। এই মেয়র প্রার্থী বলেন, আমি গত ৯ মাস (উপ-নির্বাচনে জয়ী হয়ে দায়িত্ব পালনকালে) যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রথমেই মাদকমুক্ত ঢাকা শহর গড়ে তুলতে কাজ শুরু করবো, যদি আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। এছাড়া সন্ত্রাস-দুর্নীতিমুক্ত, নারীবান্ধব সবুজ ও সচল ঢাকা গড়ার কাজ করবো ইনশাআল্লাহ। এদিকে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে আবারো আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান এমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না, যেটা দেখে জনগণ আশ্বস্ত হবেন যে তারা নিজেদের ভোট নিজেরা দিতে পারবেন। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও এলাকায় জনসংযোগকালে তাবিথ আউয়াল সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি আশঙ্কা করছি, এই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না এবং সুষ্ঠু না হওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন নিজেই উদ্যোগী ভূমিকা পালন করছে। অনেক বিতর্কিত কথাবার্তা বলছেন।’ ধানের শীষ প্রতীকের মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল জানান, বিএনপিসমর্থিত প্রার্থীদের নানা রকম হুমকি দেয়া হচ্ছে, কাউন্সিলর প্রার্থীদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, অনেক প্রার্থীর নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা হয়েছে, মাইক ভেঙে ফেলা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। তাবিথ বলেন, ‘আমি মেয়রপ্রার্থী, আমার গণসংযোগের সময় প্রতিপক্ষ মিছিল নিয়ে, স্লোগান দিয়ে, ইটপাটকেল ছুড়ে আমাদের থামিয়ে দেয়া হয়েছে। আমি জানতে চাই, আমাদের যে ম্যাজিস্ট্রেটরা আছেন নির্বাচন কমিশনের, তারা কোথায় আছেন?’ তাবিথ আউয়াল সকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতাকে নিয়ে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। সেখান থেকে বিজয় সরণির কলমিলতা বাজারের উত্তর পাশ হয়ে তেজকুনিপাড়া, রেলওয়ে মার্কেট, বিজ্ঞান কলেজ ও গির্জার পাশ হয়ে কারওয়ান বাজার এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় তাবিথ আউয়ালকে ঘিরে শত শত নেতা-কর্মী খালেদা জিয়া ও ধানের শীষের স্লোগান দেন। কারওয়ান বাজারের চারপাশ ঘুরে তিনি তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ডে যান। সেখানে তিনি শ্রমিকদের কাছে ভোট চান। বাংলাদেশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ড্রাইভার্স ইউনিয়ন কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমরা একটা নেক উদ্দেশ্য নিয়ে গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য এবং সরকার ও সব সরকারি সংস্থাকে জবাবদিহির মধ্যে রাখার আন্দোলন করছি। এ আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে আপনারা অবশ্যই আমাকে এবং ধানের সব প্রার্থীকে ৩০ জানুয়ারি জয়যুক্ত করবেন।’ সেখানে তাবিথ আউয়াল জানান, এবার ভোটের দিনের ব্যাপারে তারা সতর্ক রয়েছেন। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোটের দিনের বড় ভিকটিম হলাম আমি। ২০১৫ সালে প্রচারণা শেষে ভোটের দিন একটা পাল্টা চিত্র দেখেছিলাম। এবার আমাদের মানসিকভাবে প্রস্তু?ত থাকতে হবে যে, কোনো ভোট যেন ৩০ তারিখের (জানুয়ারি) এক মুহূর্তও আগে দেয়া না হয়। ২৯ তারিখ রাতে যেন কোনো ভোট না পড়ে। জনগণকে নিয়ে ভোটের দিন যথাযথভাবে প্রতিবাদ করতে হবে, যাতে কোনো চোরা ভোট এবার না পড়ে। জনগণ নিজের ভোট নিজে দেবে, জনশক্তিতে আমরা বিজয়ী হবো। বিএনপির প্রার্থীদের এজেন্টরা কেন্দ্রে যেতে পারেন না, এবার কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন— এমন প্রশ্নের জবাবে তাবিথ আউয়াল বলেন, আমাদের এজেন্টরা অবশ্যই কেন্দ্রে যাবেন। তবে তাদের যদি ধাক্কা মেরে বের করে দেয়া হয় বা আগের দিন রাতে নির্বাচন কমিশন এজেন্টদের তালিকা ফাঁস করে পুলিশের মামলা বা হামলায় জড়িয়ে দেয়, তো কী করা যাবে। আশা করবো, নির্বাচন কমিশন যেন এবার তা না করে। আমারসংবাদ/এমএআই