সোমবার ০১ জুন ২০২০

১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

বেলাল হোসেন

প্রিন্ট সংস্করণ

মার্চ ০৩,২০২০, ০১:১৫

মার্চ ০৩,২০২০, ০১:১৫

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ

এক কোটি চারা রোপণ করবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়

আসছে ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালিত হবে। এ মুজিববর্ষে প্রত্যেক মন্ত্রণালয় তাদের নিজস্ব কাজের বাইরেও বিশেষ কিছু কাজের পরিকল্পনা করছে। এরই অংশ হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সারা দেশে এক কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, আগামী ১৭ মার্চ মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশের ৪৯২টি উপজেলায় এক কোটি গাছের চারা রোপণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরপর আগামী ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার দিনে একযোগে শতলাখ গাছের চারা রোপণ করা হবে।

এ বিষয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে মুজিববর্ষে দেশের ৪৯২টি উপজেলায় একযোগে শতলাখ গাছের চারা রোপণ করা হবে।

তিনি বলেন, সরকারের সাথে সকলে মিলে দূষণরোধে কাজ করলে আমরা ফিরে পাবো বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাকৃতিক পরিবেশসমৃদ্ধ সুজলা, সুফলা, শস্য-শ্যামলা সোনার বাংলাদেশ। আমাদের পরিবেশ হবে বিশ্বের মধ্যে শ্রেষ্ঠ পরিবেশ।

গাছের চারা রোপণের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী প্রধান বন সংরক্ষক অজিত কুমার রুদ্র আমার সংবাদকে বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশর্তবাষির্কী উপলক্ষে কর্মসূচির অংশ হিসেবে বন অধিদপ্তর পরিবেশ, বন ও জলবায়ুর মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারা দেশে একযোগে একই সময়ে এক কোটি গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

আগামী ৫ জুন জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা- ২০২০ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী প্রতীকী গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে একই সময়ে সারা দেশে শত লাখ গাছের চারা রোপণ করা হবে।

অজিত কুমার আরও বলেন, এসময় ৪৯২টি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে চারা বিতরণের কর্মসূচি শুরু হবে।

এছাড়াও পরবর্তীতে এ চারা সঠিকভাবে বিতরণ ও রোপণ হচ্ছে কি না তা দেখার জন্য প্রতিটি উপজেলার পরিবেশ বন উন্নয়ন কমিটি তা তদারক করবে।

সহকারী প্রধান বন সংরক্ষক বলেন, ইতোমধ্যে প্রত্যেক উপজেলার জন্য ২০ হাজার ৩২৫টি করে চারা উত্তোলনের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব উপজেলায় বন অধিদপ্তরের নার্সারি সেন্টার নাই সেসব এলাকায় পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে চারা উত্তোলনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এসব চারার মধ্যে ৫০% ফলদ আর বাকিগুলো দেশি বনজ, ওষুধিগাছ ও শোভা বর্ধনকারী গাছ লাগানো হবে বলে জানান তিনি। ফলদ চারা ৫০ থেকে ৭০ ভাগ লাগানোর প্রতি জোর দেয়া হয়েছে।

এদিকে প্রতিটি চারা ৯ টাকা হিসেবে প্রাথমিকভাবে এক কোটি চারা উত্তোলনে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে বন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে। তবে চারা লাগানোসহ কর্মসূচির আনুসঙ্গিক খরচ আরও বাড়বে।

আমারসংবাদ/এসটিএমএ