শিরোনাম

সুখী দাম্পত্য জীবন উপভোগ করার কিছু টিপস

আমার সংবাদ ডেস্ক  |  ১৩:২৮, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯

বর্তমানে সব মানুষই কর্মব্যস্ত। সংসারে তেমন কথা বলারও সময় থাকে না। এতে খুব দ্রুত সময়ে অশান্তি তৈরী হয়। আস্তে আস্তে তা রূপ নেয় ভয়ঙ্কর পর্যায়ে। পরে এক সময় ভেঙে যায় গুছানো সেই সংসার।

তবে কিছু উপায় অবলম্বন করলে সম্পর্ক স্বাভাবিক ছন্দে বজায় রাখা সম্ভব। এমনকি শত ব্যস্ততার মাঝেও দাম্পত্য জীবন উপভোগ করা সম্ভব।

চলুন দেখা যাক, কী করণীয়

অফিসের কাজ অফিসেই শেষ করুন

আপনি যত গুরুত্বপূর্ণ পদেই চাকরি করুন না কেন, অফিসের কাজ অফিসেই শেষ করুন। সারাদিন অফিসের ব্যস্ততার পর যখন বাড়ি ফিরবেন, তখন একটু খেয়াল করে শুধু পারিবারিক ব্যাপারেই কথা বলুন। এতে পারিবারিক নানা সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি সম্পর্কও স্বাভাবিক থাকবে।

বাসায় ফিরেই ইন্টারনেটে নয়

বর্তমান প্রেক্ষাপটে সমস্যার আরেকটি বড় কারণ মূলে ফোন বা ইন্টারনেট। ইদানিং আমরা এই দু’য়ের উপর যেভাবে নির্ভরশীল, তাতে অনেক কিছুর সঙ্গে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কও। তাই বাড়ি ফিরেই হোয়াট্‌স অ্যাপ বা ফেসবুকে না থেকে স্বামী বা স্ত্রীকে সময় দিন।

একবেলা একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করুন

প্রতিদিন অন্তত একবার স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে খাওয়ার চেষ্টা করুন। যখন একসঙ্গে খাবেন, তখন জীবনসঙ্গীর খোঁজখবর রাখুন।

মাঝেমধ্যে উপহার দিন

যদি এমন হয়, পরপর বেশ কিছু দিন হয়ত আপনাদের মধ্যে ঠিকমতো কথা হয়নি। তখন একটা নির্দিষ্ট দিন আপনারা দু’জন বা সন্তান থাকলে তিনজনে একসঙ্গে কোথাও যান, যেখানে পরস্পরের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব। মাঝে মধ্যে হঠাৎ করে পার্টনারকে উপহার দিন। এতে সম্পর্ক স্বাভাবিক থাকবে। ভালোবাসাও বৃদ্ধি পাবে।

সংসারের কাজ ভাগাভাগি করুন

সংসারের ছোট ছোট কাজ একসঙ্গে করার চেষ্টা করুন। এতে যেমন একসঙ্গে সময় কাটানো হবে, তেমনই সংসারের প্রতি দু’জনেরই দায়বদ্ধতা তৈরি হবে। সংসারের কাজ একা কারও উপর বর্তায় না। দু’জনের সংসারে কাজের ভাগীদারও হোন সমান ভাবে।

রোমান্টিকতার ছোঁয়া

একঘেয়ে জীবন থেকে বাঁচতে পার্টনারকে রোম্যান্টিক মেসেজ পাঠাতে পারেন। এগুলো সম্পর্কে স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিতে আনতে সাহায্য করে।

পরস্পরকে সম্মান করুন

দাম্পত্য সুখের জন্য একে অপরের পেশাকে সম্মান করাটাও খুব জরুরি। পার্টনারের পেশা আপনার ভাল না লাগতেই পারে। কিন্তু দিনের শেষে উপার্জনটা সংসারের জন্যই হচ্ছে। তাই তার পেশাকে সম্মান করতে শিখুন।

ভালোলাগার দিকে খেয়াল রাখুন

দু’জনের নিজস্ব কোন শখ থাকলে সেদিকে গুরুত্ব দিন। কারো পছন্দের জিনিস আপনার অবহেলা করা ঠিক না। তাই তার শখের বিষয়ে গুরুত্ব দিন।

জেডআই

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত