শিরোনাম

মৃত্যুর পরেও নড়ছে মরদেহ, দাবি বিজ্ঞানীদের

আমার সংবাদ ডেস্ক  |  ১১:৪৯, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯

শিরোনাম পড়লে অবাক হলেও এটাই সত্যিই। একটি মৃতদেহকে সতেরো মাসেরও অধিক সময় পরীক্ষা ও পর্যালচনা করে এই সিদ্ধান্তে আসে অস্ট্রেলীয় বিজ্ঞানী অ্যালিসন উইলসনের নেতৃত্বাধীন বিজ্ঞানী-গবেষকদের একটি দল।

এ প্রসঙ্গে বার্তা সংস্থা এএফপির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অ্যালিসন বলেন, ‘আমাদের ধারণা, বিষয়টি মানবদেহের পচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। এসময় দেহের লিগামেন্টগুলো শুকিয়ে যেতে থাকে এবং তখনই এমনটি ঘটে।’

‘ফরেনসিক সায়েন্স ইন্টারন্যাশনাল : সিনার্জি’ জার্নালে এই গবেষণা ও প্রাপ্ত ফল নিয়ে একটি লেখাও প্রকাশ হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম শহর সিডনির সীমান্তঘেঁষা সাউদার্ন হ্যাম্পশায়ারের একমাত্র বডি ফার্ম (লাশঘর) সিডনির অস্ট্রেলিয়ান ফ্যাসিলিটি অব ট্যাফোনোমিক এক্সপেরিমেন্টাল রিসার্চ (আফটার), ময়নাতদন্তবিষয়ক গবেষণার জন্য যার পরিচিতি দেশজুড়ে, সেখানে মজুদ ৭০টি মরদেহের মধ্যে একটিকে বেছে নিয়েছিলেন অ্যালিসন ও তার দল; বিশেষ ক্যামেরায় প্রতিদিনের ছবি তোলা হতো ওই দেহের।

অ্যালিসন জানান, যে মরদেহটিকে পর্যবেক্ষণের জন্য বেছে নেয়া হয়েছিল, প্রথম অবস্থায় সেটির দুই হাত ছিল শরীরের কাছাকাছি, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটি সরতে থাকে এবং এক পর্যায়ে বেশখানিকটা দূরে সরে যায়। আশা করা হচ্ছে, অ্যালিসন ও তার টিমের গবেষণার ফল অপরাধবিষয়ক অনুসন্ধান ও প্যাথলজিস্টদের কাজে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হয়ে উঠবে।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এর ফলে ভিক্টিমের মৃত্যুর কারণ, মৃত্যুর সময় তার বডি পজিশন, ফিজিক্যাল এভিডেন্স এবং গোটা অপরাধের চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে।’

অস্ট্রেলিয়ার সিকিউ বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান (ক্রিমিনোলজি) থেকে গ্র্যাজুয়েশন করা এই নারী বলেন, তাদের পারিবারিক পেশা কৃষি। কেয়ার্নসে তাদের নিজস্ব খামার রয়েছে। ছোটবেলায় খামারের গবাদিপশু মারা গেলে সেগুলোর দৈহিক পরিবর্তন লক্ষ্য করতেন অ্যালিসন।

এমএআই

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত