শিরোনাম

আজ ‘ব্রা’ মুক্ত দিবস

আমার সংবাদ ডেস্ক   |  ০৪:২৩, অক্টোবর ১৩, ২০১৯

আজ (১৩ অক্টোবর) বিশ্বের প্রায় অর্ধশত দেশে পালিত হচ্ছে ‘নো ব্রা ডে’। মূলত স্তন ক্যান্সার অ্যাওয়ারনেসের অংশ হিসেবে স্তন ক্যানসার আক্রান্ত রোগী, সারভাইভারসহ সকল নারীকে এই দিনে আহ্বান করা হয় অন্তর্বাস না পরেই সারাদিন স্বাভাবিক কাজকর্মে অংশ নিতে।

এমনকি এই দিনে পুরুষরাও একটি বিশেষ রঙের পোশাক পরেন। পার্পল (বেগুনী) রঙের পোশাক পরে পুরুষরা দিবসটি পালন করে থাকেন।

সারা বিশ্বে কোটি কোটি নারী প্রতিদিনই ‘ব্রা’ নামের অন্তর্বাসটি পরিধান করে থাকেন; বাংলায় যাকে বলা হয় বক্ষবন্ধনী। বিশেষ এই পোশাকের পেটেন্ট নথিভুক্ত করা হয় ১৯১৪ সালে। তবে নারীবাদীর দ্বারা ষাটের দশকে বক্ষবন্ধনীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে পোড়ানো শুরু হয় পোশাকটি।

কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টাতে বেশি সময় লাগলো না। আবার এই পোশাকে ফিরে আসলো নারীরা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু গবেষণায় পোশাকটির বিভিন্ন নেতিবাচক দিক ধরা পড়ায় সচেতনতা তৈরিতে পালন করা হচ্ছে ‘নো ব্রা ডে’।

মূলত প্রাচীন গ্রীসে নারীরা একটি বিশেষ পোশাক পরিধান করতেন। একে অ্যাপোডিসমোস, পরবর্তীতে মাসটোডিসমোস এবং মাসতোডিটন নামে ডাকা হতো। সবগুলোর অর্থই ‘স্তন-বন্ধনী’ প্রকারান্তরে বক্ষবন্ধনী বলা হতো।

১৩ অক্টোবর ‘বিশ্ব নো ব্রা ডে’। স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস এই অক্টোবর। স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতেই মূলত এই নো ব্রা দিবস পালন করার উদ্যোগ নেয়া হয়। এবং অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করেন ব্রা ব্যবহারের ফলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি একটু বেশিই বৃদ্ধি পায়। ব্রা ব্যবহার বন্ধ করতে পারলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিটা কমে আসবে।

সাধারনত এইডস আর স্তন ক্যান্সার এর প্রতীক একই, তবে এদের রঙটা ভিন্ন। এইডস এর প্রতীক লাল আর স্তন ক্যান্সারের প্রতীক হচ্ছে গোলাপি।

প্রতিবছর সমগ্র ব্রিটেনে প্রায় ৫০ হাজার নারী স্তন ক্যান্সারের পরীক্ষা করান।

এদিকে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হয়ত এটা কল্পনা করা অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু বিশ্বের অনেক দেশেই এখন নারীরা ব্রা না পরেই তার পোশাক পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন শপিং মল, অফিস এবং বাসা। আর দিন দিন এর সংখ্যাটা বাড়ছে।

‘নো ব্রা ডে’ এর আন্দোলনটি ২০১১ সালে শুরু হয় এবং বেশিরভাগই সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়, যেখানে মহিলাদের প্রচারে হ্যাশট্যাগে ‘নো ব্রা ডে’ ব্যবহার করা হয়।

এদিকে ভারতসহ বিশ্বের বহু দেশেই ব্রা ব্যবহারের হার কমছে বলে জানাচ্ছে বিপণন পরিসংখ্যান। আসলে আজকের নারী উপলব্ধি করতে পারছেন, শারীরিক আকর্ষণ বৃদ্ধির চেয়ে বাঁচার ইচ্ছার তীব্রতা অনেক বেশি। কারণ জীবন বড় বেশি সুন্দর।

জেডআই

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত