শিরোনাম

বিভিন্ন দপ্তরে ঘুষবাণিজ্য রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে

প্রিন্ট সংস্করণ॥আব্দুল কাদের, ধামরাই  |  ০৬:৫৭, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯

নিরীহ মানুষ যেখানে যায়, সেখানেই ঘুষের ভয়াল রূপ দেখতে পায়। মানব সমাজে উন্নয়নের এক বিশাল বাধা ঘুষ। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আমরা দেশবাসী সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত দুর্নীতি ও ঘুষে। হাত-পা বাড়ালেই, চারদিক তাকালেই যেন ঘুষের খেলা।

বিশেষ করে সরকারি মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরগুলোতে ঘুষ যেন ভাতের সাথে তরকারির মত সাধারণ ব্যাপার। কিছু কিছু কর্মকর্তা আছেন, কোনো কাজ নিয়ে গেলেই সরাসরি টাকা দাবি করেন, যেন ঘুষ নেওয়া তাদের মৌলিক অধিকার।

কেউই কর্তাকে খুশি রাখেন ১০ জনের ক্ষতি করে, আবার কেউ কর্তাকে খুশি করতে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছেন। আর অপরদিকে প্রতিভাবান কিংবা যোগ্য প্রাপক তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আর রাষ্ট্র হারাচ্ছে মেধাবী কর্মী বা কর্মকর্তা।

এভাবে চলতে থাকলে সরকারি মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে, সঙ্গে দেশও জাতির ভবিষ্যত। নইলে যেমন ক্ষতি হচ্ছে রাষ্ট্রের তেমনি সরকারি মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরগুলোরপ্রতি আস্থাহীন হবেন সাধারণ মানুষ।

যেসকল কর্মকর্তা কর্মচারী দুর্নীতি ও ঘুষের সাথে জড়িত তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

এবং দুর্নীতি দমন কমিশনকে আরো কঠোর হতে হবে। দুদককে আরও বেশি ক্ষমতা দিতে হবে। নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মধ্যে সিমাবদ্ধ থাকলে চলবেনা। আবার দুদক যাতে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে না পারে সেদিকে সরকারের বিশেষ নজরদারী বাড়াতে হবে।

তাই সর্বশেষ পুলিশ নিয়োগে একশত তিন টাকায় চাকরি প্রসংশিত ও আলোচিত হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি ও ঘুষের বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা দিয়েছেন তার নিশ্চিত করতে হবে।

প্রয়োজনে নতুন নতুন কৌশল প্রণয়ন করে দুদককে উঁচু থেকে নিচু সব পর্যায়ে নিখুঁতভাবে জোর তৎপরতা চালিয়ে যেতে হবে।

 

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত