শিরোনাম

ছাত্রদলের কাউন্সিলের ওপর আদলতের স্থগিতাদেশ

আদালত প্রতিবেদক  |  ২০:৪১, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯

আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অনুষ্ঠিতব্য কাউন্সিলের উপর স্থগিতাদেশ দিয়ে কারণ দর্শাতে বলেছেন আদালত। দীর্ঘ ২৭ বছর পর কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হওয়ার কথা এ নির্বাচনে।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় ছাত্রদলের নির্বাচনের ওপর আদালতের স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করেন ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক আমান উল্ল্যাহ। তিনি ঢাকা জেলা ও দায়রা জজের একটি আদালতে এ আবেদন করেন।

আদালতের বিচারক ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী শনিবার অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচনের ব্যাপারে কারণ দর্শাতে বলা হয়।

এদিকে ছাত্রদলের নেতৃত্ব নিয়ে এরই মধ্যে বিএনপিতে শুরু হয়েছে ব্যাপক গ্রুপিং। বিশেষ করে ছাত্রদলের কাউন্সিল ও নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত সার্চ কমিটিতে থাকা সাবেক ছাত্রনেতাদের কেউ কেউ নিজস্ব বলয়কে নেতৃত্বে নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা করছেন।

যদিও দিকনির্দেশনা রয়েছে, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কেউ কোনো প্রার্থীর পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না। কারও এমন ভূমিকা থাকলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনে সভাপতি পদে আটজন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা রয়েছে।

আগামী শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। সংগঠনটির ১০ সাংগঠনিক বিভাগের ১১৬ শাখায় মোট ৫৬৬ জন ভোটার রয়েছেন। নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, ছাত্রদলের প্রতিটি শাখার শীর্ষ পাঁচজন নেতা কাউন্সিলে ভোট দিতে পারবেন।

নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী আটজন। তারা হলেন- কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, মো. ফজলুর রহমান খোকন, মাহমুদুল হাসান বাপ্পি, হাফিজুর রহমান, রিয়াদ মো. তানভীর রেজা রুবেল, মো. এরশাদ খান, এস এম সাজিদ হাসান বাবু ও এ বি এম মাহমুদ আলম সরদার। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ১৯ জন।

বিএনপির উর্ধ্বতন নেতাদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থার কথা বলা হলেও এর মধ্যে ঘটে গেল এমন ঘটনা।

কেকে/আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত