শিরোনাম

‘কখনো ফজরের নামাজ কাজা করিনি, ১১৯ বছরেও সুস্থ আছি, খালি চোখেই বই পড়ি’

নিজস্ব প্রতিনিধি   |  ০৬:৫৩, অক্টোবর ১২, ২০১৯

বয়স তার ১১৯। কিন্তু এখনো দিব্যি সব কাজ কর্ম করেন। চশমা ছাড়াই খালি চোখে পড়েন পত্রিকা-বই। ঘটনাটি কুড়িগ্রামের রাজারহাটের।

যে বয়সে তার লাঠি হাতে নিয়ে চলা ফেরা করার কথা সে সময়ে তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করায় এলাকায় মানুষের কাছে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। বার্ধক্য তাকে হার মানাতে পারেনি। বাধা সৃষ্টি করতে পারেনি তার কাজকর্মে।

এই সাদা মনের মানুষটির নাম মোঃ জোবেদ আলী। জাতীয় পরিচয় পত্রে জন্ম তারিখ ১৯০০ সালের ২৫ অক্টোবর হলেও তার বয়স হয়তো আরো বেশি হবে। তিনি উপজেলার রাজারহাট ইউনিয়নের মেকুরটারী তেলীপাড়া গ্রামের মৃত হাসান আলীর পুত্র। তাঁর স্ত্রী ফয়জুন নেছা (৮৭), ৩ পুত্র ও ৪কন্যা সহ নাতি-নাতিনী সহ বহু বন্ধু-বান্ধব ও গুনগ্রাহী রয়েছে।

জোবেদ আলী বলেন, মোর ঠিক বয়স মনে নেই, তবে আইডি কাডত যা আছে তার চেয়ে বেশি হবে। ছোট বেলা থেকে যুবক বয়সে তিনি নিজের দিঘীর মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, আবাদি বিতরি ধানের ভাত, খাঁটি ঘি, সরিষার তৈল, রাসায়নিক সার বিহীন শাক-সবজি নিয়মিত খেতেন। এই বয়সে তাঁর ছোট খাট জ্ব্বর-সর্দি ছাড়া বড় ধরনের কোন রোগ ব্যাধি হয় না।

শরীর এখনও তাঁর ভাল আছে। তিনি একশ বছর আগে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করেছেন। তাই তিনি নিয়মিত পবিত্র কুরআন-মাজিদ, পত্রিকা ও বই পড়তে পারেন। রাতে তিনি কুপি জ্বালিয়ে পবিত্র কুরআন-মাজিদ পড়েন।

তিনি আরো বলেন, কোনদিন ফজরের নামাজ আমি কাজা করি নাই এবং ফজরের নামাজের পর কুরআন তেলোয়াত করি। তাই হয়তো আল্লাহ পাক আমাকে সুস্থ্য রেখেছেন। এজন্য আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া।

এখন তিনি অধিকাংশ সময় পত্রিকা পড়ে কাটান বলে জানান। এ বিষয়ে রাজারহাট ইউপি সদস্য শমশের আলী বলেন, আমি ছোট বেলা থেকেই জোবেদ জ্যাঠোকে এই অবস্থায় দেখে আসছি। এখনো তিনি আগের মতোই চলাফেরা করেছেন।

আরআর

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত