শিরোনাম

পালানোর ৩ মাস পর ভৈরব থেকে খালু-ভাগনীকে উদ্ধার

জামাল মিয়া, ভৈরব ( কিশোরগঞ্জ)  |  ১৬:০৪, আগস্ট ২৫, ২০১৯

কিশোররগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার বীর পাকুন্দিয়া থেকে বউকে ফেলে জেত্তয়াশের স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে গা ঢাকা দিয়ে ছিল আপন খালু আব্দুল হক।

ঘটনার ৩ মাস পর গত শনিবার রাত এগারটার সময় ভৈরবের পঞ্চবটি এলাকার জনৈক ধন মিয়ার বাড়ি থেকে অপহৃত ঝুমাকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত খালোকে গ্রেপ্তার করে ভৈরব থানা পুলিশ। আটককৃত আঃ হক পাকুন্দিয়ার জামসাইদতা তারকান্দা এলাকার রোস্তম আলীর ছেলে।

এ ঘটনার পর পর অভিযুক্তের স্ত্রী সুরমা বেগম কিশোরগঞ্জ বিচারিক আদালতে অপহরণ করে ধর্ষনের অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এর পর বিজ্ঞ আদালত আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। তারই পরিপ্র্রেক্ষিতে আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। উদ্ধারকৃত ঝুমা পাকুন্দিয়ার পাটুয়াভাঙ্গা উচ্চ দ্যিালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

জানা যায়, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জামসাইদ এলাকার সবজি বিক্রেতা আব্দুল হক গত জুন মাসের প্রথম দিকে নিজের বউকে ফেলে তারই জেত্তয়াসের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুরা মেয়ে ঝুমাকে নিয়ে ওধাউ হয়। এরপর থেকে তারা কখনো ভৈরব কখনো রায়পুরা এলাকায় আত্ব গোপনে থেকে বিয়ে না করেই স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করতে থাকে ভৈরবের পঞ্চবটি গ্রামের নতুনরাস্তা এলাকার ধন মিয়ার বাড়িতে।

আজ ঝুমার মা ও খালা ভৈরবে এসে পঞ্চবটি এলাকায় মেয়ের ছবি দেখিয়ে তার সন্ধান চাইলে ওই এলাকার ধন মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে স্থানীয়দের সহযোগীতায় তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

আব্দুল হকের স্ত্রী জানান, গত তিন মাস যাবত সে আমাদের কোন খোঁজ খবর না নিয়ে আমার বোনের মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে এসে এ ভৈরবে স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করছিল। খবর পেয়ে আমি এখানে এসেছি। আমি আমার স্বামীর এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডে তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করছি।

ঝুমার মাম সুরমা বলেন, সে আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে এনে তিন মাস যাবত নিখোজ রয়েছে। আমরা অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে খবর পেয়ে ভৈরবে ছুটে আসি। এসে দেখতে পাই এলাকাবাসির হাতে তারা অসামাজিক কাজের জন্য আটক রয়েছে। আমি আব্দুল হকের শাস্তি কামনা করছি।

ভৈরব থানার এ এস আই আসাদ মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীর জিম্মায় থাকা অবস্থায় আব্দুল হক ও ঝুমাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এমআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত