শিরোনাম

ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই!

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ)  |  ১৮:২১, অক্টোবর ০৮, ২০১৯

বিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। যানবাহনের বেলাতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি এতটুকুও। কালের আবর্তে যানবাহনে অনেক পরিবর্তন হলেও সিরাজদিখানে চলছে প্রাচীন যান ঘোড়ার গাড়ি। এ যেন আধুনিক যুগের প্রাচীন বাহন।

ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই করে জীবিকা নির্বাহ করছেন উপজেলার কয়েকটি পরিবার। তাদের জীবিকা নির্বাহের পথটাও সীমিত কিছুটা ভিন্ন। তাই বলে বেঁচে থাকার লড়াইটা বন্ধ রাখলে তো আর চলবে না। বাঁচার জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। ঘোড়ার গাড়িতে চলছে সেই লড়াই।

উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চরাঞ্চলের রাস্তা-ঘাটে নানা ধরণের নিত্যব্যবহার্য মালামাল বহনে ঘোড়ার গাড়ি নিয়মিত চলাচল করে। আর এ থেকে যে আয় আসে তা দিয়ে ১৫ থেকে ২০টি পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।

ইট, বালু, সিমেন্ট, কাঠসহ বিভিন্ন ধরনের ভারী মালামাল ঘোড়ার গাড়িতে বহন করে এ চরাঞ্চলের মানুষ। প্রতিটি ঘোড়ার গাড়ি ১৫ থেকে ২০ মণ ওজন বহনে সক্ষম। গড়ে এসব গাড়ি দিনে ৫০ কিলোমিটারের অধিক বালুময় কাঁচা রাস্তায় চলাচল করে।

আবুল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, হোসেনসহ কয়েকজন ঘোড়ার গাড়ির চালক আমার সংবাদকে বলেন, বালুচর ইউনিয়নে ইটের ভাটায় তারা গাড়ি চালান।

প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার থেকে ১৫শ টাকা আয় হয়। আর প্রত্যেকে ঘোড়ার পেছনে প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা খাওয়া বাবদ খরচ হয়। সবমিলিয়ে ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে বর্তমানে তাদের জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তারা।

সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশফিকুন নাহার আমার সংবাদকে বলেন, উপজেলায় ১৫ থেকে ২০টি পরিবার ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে যাচ্ছেন। যদিও এখন ঘোড়ার গাড়ি আগের মতো দেখা যায় না কোথাও।

তাই বিলুপ্তির পথে এই যানবাহনটি। কিন্তু সিরাজদিখানে বেশ কিছু পরিবার ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে সচ্ছল আছেন। যদি তাদের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়, তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা যথাযথ সহযোগিতা করবো।

এমআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত