শিরোনাম

চকরিয়ায় ১৮ কোটি টাকার ড্রেন কাজে আসছে না

মোহাম্মদ উল্লাহ, চকরিয়া (কক্সবাজার)  |  ২২:১৫, অক্টোবর ০৯, ২০১৯

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভা ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি নিস্কাশন ড্রেণ নির্মাণ করলেও সুফল পাচ্ছে না পৌরবাসীসহ বিভিন্ন ইউনিয়ান থেকে সদরে আসা সাধারণ জনগন এমনি কি অল্প বৃষ্টিতে হাঁটু পানি জমে গিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে পৌরশহরের বেশিভাগ এলাকা। কয়েকজন সচেতন এলাকাবাসী জানান, ড্রেন নির্মাণে চরম অনিয়মের অশ্রয় নেয়া হয়েছে মানা হয়নি কাজের সিডিল।

বর্ষার শেষ মুহূর্তে এসেও এসব জলাবদ্ধতার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ৯ সেপ্টম্বর বুধবার দুপুরে বৃষ্টি হলে পৌরশহরের বালিকা উচ্ছ বিদ্যালয়ের সড়ক, চিরিঙ্গা আনোয়ার শপিং কমপ্লেক্স, সুপার মার্কেটের, চকরিয়া শপিং কমপ্লেক্স ও থানা রাস্তার মাথা রহমান কমপ্লেক্সের সামনে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এসময় চলাচল করতে গিয়ে সাধারণ লোকজনকে দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। রাস্তার দুই পাশে নিয়মিত ড্রেন পরিস্কার না হওয়ায় এসব জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় বলে স্থানীয় দোকানদাররা জানায়।

আবুল কাশেম নামের এক দোকানদার বলেন, মহাসড়কের উভয় পাশে টোকেনের মাধ্যে অবৈধভাবে ফুটপাতে দোকান বসিয়েছে। এসব দোকানের ময়লা আর্বজনা ফেলার কারণে ড্রেনের পানি চলাচল করতে পারছে না। কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ড্রেনের সুফল পাচ্ছে পৌরসভার বাসিন্দা।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এসব ড্রেন নিমার্ণে ঠিকাদার অনিয়মের করলেও কতৃপক্ষ কোনো ধরেণের ব্যবস্থা নিচ্ছে না এই কারণে সামন্য বৃষ্টিতে শহর জুড়ে জলাবদ্ধা সৃষ্ঠি হচ্ছে।

নাম না প্রকাশের করার শর্তে একজন পৌরসভার ব্যবসায়ী বলেন, পৌরকর্তৃক নির্মিত ড্রেনগুলোতে ময়লা আবর্জনা জমে গিয়ে পানি চলাচলে বিগ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিস্কার করে না পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। নিমিয়িত ড্রেন পরিষ্কার করার জন্য পৌরসভার কর্মচারী থাকলেও তারা কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ড্রেন পরিস্কার না করারয় ড্রেনের ময়লা পানি জাম খেয়ে সড়কের উপর একাকার হয়ে যায়।ফলে এই ময়লা পানি ডিঙ্গিয়ে চলাচল করতে গিয়ে পৌরবাসীর পৌাহাতে হয় অবর্ননীয় দুর্ভোগ।

চকরিয়া পৌরসভার সচিব মাসউদ মোরশেদ বলেন, মহাসড়কের পাশে ময়লা পানি জমে ধাকা ড্রেনটি আমরা করিনি সড়ক বিভাগে করেছে এই কারণে দায়দায়িত্ব আমাদের না। নতুন ড্রেন নিমাণের অনিয়ম বিষয়ে তিনি বলেন, যে কাজ শেষ হয়েছে এই বিষয়ে কথা বলতে পারব না।

পৌরসভার বিভিন্ন সড়কে টোকেনের মাধ্যে দোকান বসিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করার পর তিনি বলেন, আমরা কাউকে টোকেনের মাধ্যে দোকান বসানোর অনুমতি দিই নাই। বালিকা উচ্চ বিদ্যায়ের নতুন নির্মিত ড্রেনে কেনো একই অবস্থা বলার সাথে সাথে মোবাইলের লাইন কেটে দেন।

এমআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত