শিরোনাম

আবরারের পরিবার জামায়াত-শিবির: কুষ্টিয়ার এসপি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  |  ১১:০১, অক্টোবর ১০, ২০১৯

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারকে জামাত-শিবির আখ্যায়িত করেছেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এসএম তানভীর আরাফাত। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

আবরারের ছোট ভাই ফায়াজকে পুলিশ মারধোর করেছে এমন প্রশ্নের জবাবে ক্ষুব্ধ ওসি ওই পরিবারের সদস্যদের জামায়াত-শিবির বলে আখ্যায়িত করেছেন। যদিও আবরারের পরিবারের সদস্যদে দাবি তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফের বাসার পাশেই তাদের বাসা। হানিফের সঙ্গেও তাদের পরিবারের সম্পর্ক রয়েছে। তারা নৌকার সভা-সমাবেশেও অংশ নেন। জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আবরারও ওই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিল না। তাকে হত্যার পর শিবির আখ্যা দেয়া হচ্ছে উদ্দেশ্যমূলকভাবে।

এদিকে এসপি বলেন, ফায়াজকে মারধরের বিষয়টি মিথ্যা কথা। মিথ্যা প্রগাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। ভিসিকে মারতে পারেনি বলে এসব ছড়ানো হচ্ছে।

বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কী ভিসির ওপর আক্রমণের কোনো চেষ্টা করেছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে এসপি বলেন, ‘এলাকাবাসী না, ওদের ফ্যামিলি (আবরার) জামাত শিবিরের লোকজন। জামাতের লোকজন আক্রমণের চেষ্টা করেছিল।’

এসপি আরও বলেন, কোনো সংঘর্ষের ঘটনাই ঘটেনি। চড়-থাপ্পড়দের ঘটনাও ঘটেনি। প্রপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে।

বুধবার (৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর সাইফুল ইসলাম আবরারদের বাড়ি কুষ্টিয়ায় গেলে সেখানে পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়। এসময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজসহ আহত হন তিনজন।

জানা যায়, বুয়েট ভিসি শুধুমাত্র আবরারের কবর জিয়ারত করতে পেরেছেন। তিনি আবরারের বাড়িতে ঢুকতে পারেননি। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে বাধা দেন। এসময় পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়।

এর আগে গত রোববার রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে পড়ার টেবিল থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের একদল নেতকর্মী। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার মরদেহে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

এমএআই

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত