শুক্রবার ০৩ এপ্রিল ২০২০

২০ চৈত্র ১৪২৬

ই-পেপার

শরিফ রুবেল

প্রিন্ট সংস্করণ

ফেব্রুয়ারি ২৪,২০২০, ০৯:৫১

ফেব্রুয়ারি ২৪,২০২০, ০৯:৫১

বেড়েই চলছে সাইবার অপরাধ

  • ৬ বছরে ৪ হাজার সাইবার মামলা, সাজা ২৫ জনের
  • অপরাধের শিকার ৭০ শতাংশই নারী
  • সাত বিভাগীয় শহরে ট্রাইব্যুনাল গঠন হচ্ছে
  • আইনের যথাযথ প্রয়োগ নেই দাবি বিশেষজ্ঞদের

সাইবার অপরাধ। শাস্তির বিধান সত্ত্বেও দিন দিন বেড়েই চলছে এসব অপরাধ প্রবণতা। তথ্য-প্রযুক্তির সহজলভ্যতায় বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণির মানুষের মধ্যে ইন্টারনেট এবং স্মার্টফোনের ব্যবহার যত বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার অপরাধও। তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের মানুষ প্রতিদিনই সাইবার অপরাধে আক্রান্ত হচ্ছেন।

ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, গুগল, স্কাইপিতে ভুয়া আইডি খুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল, ব্লগে মিথ্যা মানহানিকর তথ্য প্রচার, বিভিন্ন অ্যাপসে অশ্নীল ছবি, ভিডিও এবং ম্যাসেজ পাঠিয়ে উত্ত্যক্ত করছে সাইবার অপরাধীরা। ফিশিংয়ের মাধ্যমে অন্যের আইডি হ্যাক করে প্রতারণাও করা হচ্ছে।

অনেকে সাইবার অপরাধের শিকার হয়ে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে অপমান-অপদস্থের শিকার হচ্ছেন। এমনই একজন ভুক্তভোগী ইসতিয়াক আহম্মেদ। চাকরি করেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে।

কিন্তু গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি হ্যাকিংয়ের শিকার হয়। পরে তার ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার থেকে কয়েকজন পরিচিতজন ও ঘনিষ্ঠজনের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা জানিয়ে বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা সহায়তা চাওয়া হয়। এমনকি একটি বিকাশ নাম্বার পাঠিয়ে সেই নাম্বারে জরুরি টাকা পাঠাতে বলা হয়। কিন্তু অধিকাংশই ওই টাকা চাওয়ার বিষয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়েন।

কেউ কেউ ইসতিয়াককে তার ব্যক্তিগত নম্বরে ফোনও করেন। আর তখনই জানা যায় যে, তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি হ্যাকড হয়েছে। তিনি কারো কাছেই টাকা চাওয়া বা কোনো কিছুই লেখেননি।

শুধু ইসতিয়াকই নয়, প্রতিনিয়ত এ রকম অনেকেই সাইবার অপরাধী তথা হ্যাকারদের কবলে পড়েছেন। ক্রমেই সাইবার অপরাধীদের অপতৎপরতা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। কোনোভাবেই যেন ঠেকানো যাচ্ছে না সাইবার অপরাধীদের তৎপরতা। তারা যেন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাইবার অপরাধের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের শক্ত মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় এমন জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

তাদের দাবি, সাইবার আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়ায় এসব ভার্চুয়াল অপরাধের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলছে। এমনকি অনেক সময় সাইবার অপরাধী ধরা পড়লেও শাস্তির নজির নেই বলেই অপরাধ কমছে না।

ঘটনাগুলো এখন শুধু ভার্চুয়াল জগতেই নেই, জাতীয় নিরাপত্তায়ও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েকদিনে ফেসবুকে অপপ্রচার ও গুজব যেভাবে বেড়েছে, তাতে সাময়িক সময়ের জন্য এ সাইটটিকে বন্ধ করা যেতে পারে বলেও মত তাদের।

সাইবার ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, ঢাকার একমাত্র সাইবার ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে ৩৫০ মামলা বিচারাধীন। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনটি মামলার বিচারকাজের মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। ২০১৪ সালে ট্রাইব্যুনালে ৩২টি মামলার বিচারকাজ চলে।

পরের বছর বিচারের জন্য আসে ১৫২টি মামলা। আগের বছরগুলোর চেয়ে ২০১৬ সালে দুই শতাধিক মামলা বিচারের জন্য আসে। ২০১৭ সালে ৫৬৮ এবং ২০১৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে মামলা আসে ২৬৭টি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সাইবার ট্রাইব্যুনালে ৬০ শতাংশের বেশি মামলায় অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারায় আসামিরা খালাস পেয়েছে। এতে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছে ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ করেও বিচার না পেয়ে আত্মহত্যার পথও বেছে নেয় কেউ কেউ।

এদিকে সাইবার অপরাধের মামলা নিয়ে গত বছরের এপ্রিলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক তথ্যে জানা যায়, গত ৬ বছরে সাইবার অপরাধের ঘটনায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মামলা হয়েছে তিন হাজার ৬৫৯টি।

এর মধ্যে সাইবার ট্রাইব্যুনালে গেছে এক হাজার ৫৭৫টি মামলা। নিষ্পত্তি হয়েছে ৫২২টির। মাত্র ২৫টি মামলায় আসামিদের সাজা হয়েছে। পুলিশের ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (সিডিএমএস) পরিসংখ্যান ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

অপরদিকে পুলিশের ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (সিডিএমএস) পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৩ সালে ৩৫টি ও ২০১৪ সালে ৬৫টি মামলা হয় সারা দেশে। ২০১৪ থেকে ২০১৫ সালে মামলা হয় ৫৯৭টি যার মধ্যে ১৩৭টি ঢাকায়।

২০১৬ সালে সারা দেশে মামলা হয় ৮৭৯টি যার মধ্যে ঢাকায় ২০৬টি। ২০১৭ সালে মামলা হয় এক হাজার ২৮টি। এর মধ্যে ঢাকায় ২৩৬টি। ২০১৮ সালে মামলা হয় এক হাজার ৫৫টি যার মধ্যে ৩৩৩টি ঢাকায়। তথ্য বলছে, ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালে শুধু ঢাকায় মামলা হয়েছে ৯১২টি।

সাইবার অপরাধীদের শিকার ৫২২ জনকে নিয়ে পুলিশের এক গবেষণায় দেখা যায়, ভুক্তভোগীদের ৭০ শতাংশই নারী। তাদের মধ্যে ২৫ বছরের কমবয়সি নারী ৫৭ শতাংশ।

সাইবার অপরাধের ধরনের মধ্যে রয়েছে জঙ্গি-সংক্রান্ত এক শতাংশ, চাঁদাবাজি সাত শতাংশ, সাইবার পর্নোগ্রাফি ১৪ শতাংশ, হ্যাকিং ২০ শতাংশ, মানহানি ১৮ শতাংশ, ভুয়া আইডি ২০ শতাংশ ও অন্যান্য ছয় শতাংশ। সাইবার অপরাধের ভিকটিম ৫৮ শতাংশই ফেক আইডি এবং আইডি হ্যাক করে মানহানিকারী অপরাধীর শিকার।

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯ কোটি ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে ৭০ ভাগই সাইবার অপরাধের ঝুঁকিতে আছেন। ব্যবহারকারীদের মধ্যে ২০ ভাগ কোনো না কোনোভাবে সাইবার অপরাধের সঙ্গে জড়িত। মাত্র ১০ ভাগ ব্যবহারকারী সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন।

একই তথ্যানুযায়ী, দেশে বর্তমানে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় তিন কোটি। আর সাইবার অপরাধের ৭৫ ভাগ অভিযোগই ফেসবুককেন্দ্রিক। ইন্টারনেটের মাধ্যমে হয়রানি ও প্রতারণার শিকার হওয়া ৪৯ শতাংশই স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী।

এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সাইবার ভুক্তভোগীদের মধ্যে ফেসবুক আইডি হ্যাকের শিকার হয়েছেন এক হাজার ১১২ জন, যার মধ্যে ৬০৬ জন পুরুষ ও ৫০৬ জন নারী। মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার শিকার হয়েছেন ৩৪৯ জন, যার মধ্যে ২৭০ জন পুরুষ ও ৭৯ জন নারী।

যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ২১৮ জন, যার মধ্যে ৪৫ জন পুরুষ ও ১৭৩ জন নারী। ফেসবুক, মেসেঞ্জারে ভুয়া আইডি দিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে ৫১৩ জনকে। প্রতারণার শিকার হয়েছেন ১৯৫ জন পুরুষ ও ৩১৮ জন নারী। একই বছরে ৩৭ জন ই-মেইল হ্যাকের শিকার হয়েছেন। আর ৩২৩ জন পুরুষ ও ২৯১ জন নারী মিলিয়ে অন্যান্য হয়রানির শিকার হয়েছেন মোট ৬১৪ জন।

জানা যায়, সাইবার অপরাধের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এবার ঢাকার বাইরে সাত বিভাগীয় শহরে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে যাচ্ছে সরকার। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহে এই ট্রাইব্যুনাল স্থাপনের কাজ একেবারেই শেষ পর্যায়ে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর এ বিষয়ে আদেশ জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। শিগগিরই বিচারক নিয়োগ দেয়ার মাধ্যমে এসব ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানা যায়।

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ায় সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের হওয়া মামলায় প্রথম আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয়। একই সঙ্গে তাকে ১৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও এক বছর জেল দেয়া হয়।

সাইবার আইনে কঠিন সাজা : সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করেছে সরকার। এই আইনের বিভিন্ন ধারায় সাইবার ক্রাইমের জন্য কঠিন শাস্তির বিধান রয়েছে।

এই আইনের আওতায় কেউ যদি ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কোনো ধরনের প্রপাগাণ্ডা চালায়, তাহলে ১৪ বছরের জেল ও এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ১৭ ধারায় বলা হয়েছে, ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ যদি জনগণকে ভয়ভীতি দেখায় এবং রাষ্ট্রের ক্ষতি করে, তাহলে ১৪ বছরের জেল ও এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এ আইনের ২৮ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি ধর্মীয় বোধ ও অনুভূতিতে আঘাত করে, তাহলে ১০ বছরের জেল ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

আইনের ২৯ ধারায় বলা হয়েছে, কারো বিরুদ্ধে কুৎসা রটালে, মানহানিকর কোনো তথ্য দিলে তিন বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ৩১ ধারায় বলা হয়েছে, ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করলে সাত বছরের জেল ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ আমার সংবাদকে বলেন, বর্তমানে সাইবার অপরাধের মাত্রা অনেক বেড়েছে, তাই এই মামলাগুলোর বিচার দ্রুততার সাথে নিষ্পত্তি করতে হবে। বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত হলে সাইবার অপরাধ কমে আসবে। আর সাইবার আইন যেমন শক্ত না, যেটুকু আছে তারও যথাযথ ব্যবহার হতে দেখছি না।

তাই সাইবার অপরাধ বাড়ছে। তিনি বলেন, আমরা দেখছি, ফেসবুকের মাধ্যমে নানাভাবে মানুষকে হেনস্তা করা হচ্ছে। কুৎসা রটিয়ে সম্মানহানির ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। এমনকি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সরকারকে নানা ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতেও একটি গ্রুপ ফেসবুকে সক্রিয় আছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের সামাজিক অপরাধ রোধ করতে হলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কঠিন ভাষায় কথা বলতে হবে। তারা সহযোগিতা না করলে প্রয়োজনে ফেসবুক এ দেশে বন্ধ করে দিতে হবে। সাইবার অপরাধ ঠেকাতে হলে সরকারের সর্বোচ্চ মনিটরিং জরুরি বলেও মনে করেন এই আইনজীবী।

সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান আমার সংবাদকে বলেন, এখন পর্যন্ত সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ আইনে সাজা হয়েছে, এমন ঘটনা খুব একটা নেই। ফলে এ অপরাধ করলে কী ধরনের শাস্তি হতে পারে সেটা অপরাধীরা বুঝতে পারছে না। নানা ধরনের গুজব অপপ্রচার ছড়িয়ে সামাজিক রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির মাধ্যমে নানা ধরনের দুর্ঘটনা, সংঘাত এমনকি হত্যার মতো ঘটনাও ঘটছে।

আসলে আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় দুর্বৃত্তদের মনে ভয়টা কেটে যায়। অপরাধীরা মনে করে, আইনের ওপর যেমন তাদের হস্তক্ষেপ রয়েছে, বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণেও তারা পার পেয়ে যাবে।

এদিকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যাবহার করে একটি চক্র সাইবার অপরাধ ঘটাচ্ছে। সরকার অত্যন্ত সর্তকতার সাথে সাইবার অপরাধের মামলাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এমনকি সারা দেশের সাইবার অপরাধের বিচার করার জন্য ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয় ঢাকার পরে সাত বিভাগীয় শহরে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে যাচ্ছে।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, তদন্তে ত্রুটি থাকায় একপর্যায়ে মামলার বাদির অনীহার তৈরি হয়, আদালতে সাক্ষীর হাজির না হওয়া, বাদি-বিবাদির মধ্যে আপস ইত্যাদি কারণে মামলা খারিজ হয়ে যাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

আমারসংবাদ/এসটিএমএ