শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২০

৮ কার্তিক ১৪২৭

ই-পেপার

আবদুর রহিম

প্রিন্ট সংস্করণ

অক্টোবর ১৭,২০২০, ০৪:২২

অক্টোবর ১৭,২০২০, ০৪:২৬

আলুর দাম কেন পাঁচগুণ

বছরে চাহিদা ৭০ থেকে ৭৫ লাখ টন-উৎপাদন এক কোটি ৮ লাখ টনেরও বেশি

পেঁয়াজ, চাল ও সবজির পর এবার দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নতুন অস্বস্তির নাম আলু। চলতি বছরের উৎপাদন মৌসুমে কৃষক প্রতি কেজি আলু ১২-১৫ টাকায় বিক্রি করেছেন। সেই আলু এখন হাফ সেঞ্চুরি! দেশে প্রতি বছর আলুর চাহিদা ৭০-৭৫ লাখ টন, উৎপাদন হয়েছে এক কোটি আট লাখ টনেরও বেশি তবুও  হঠাৎ করেই দাম বাড়ার কারণ এখনো অজানা।

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ন্যূনতম চাল, আলু, ভোজ্যতেল, কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ এখন বিলাসবহুল হয়ে উঠেছে। এই পাঁচটি মূল নিত্যপণ্যের দাম গত দুই মাসে কেজি প্রতি পাঁচ থেকে ১১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিশেষ করে আলুর দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

কৃষকের বিক্রির সঙ্গে বেড়েছে পাঁচগুণ আর সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির তথ্য বলছে, গেলো বছরের তুলনায় এবার আলুর দাম বেড়েছে ১১১ শতাংশ। করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-আয়ের মানুষের আয় কমেছে।

তার ওপর প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করতেই হিমশিম খাচ্ছেন দরিদ্র ও সীমিত আয়ের মানুষ। ভারত থেকে রপ্তানি নিষিদ্ধ হওয়ার পরে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পেঁয়াজের দাম রাতারাতি ৪০-৪৫ টাকা থেকে দ্বিগুণ হয়।

গত ১৫ আগস্ট কাঁচামরিচের কেজি ছিলো ১০৫ টাকা করে। এখন তা ডাবল সেঞ্চুরি। বাড়তে থাকা চালের দাম চলতি সপ্তাহে আরো বেড়েছে। প্রতি কেজিতে দুই-তিন টাকা পর্যন্ত। ভোজ্যতেলের দামও অস্বাভাবিক বেড়েছে। সয়াবিনের দাম লিটারে ১৮ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

গতকাল শুক্রবার  রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার তিন-চারটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব দোকানেই আলুর দাম একই প্রতি কেজি ৫০ টাকা। ৩০ টাকার বেশি দামে আলু বিক্রি জানতে চাইলে যাত্রাবাড়ী বউবাজারের আব্দুল মালেক বলেন, ‘আন্ডা কাছে ওনও হেই দামে আইয়েনো, বেনে খোঁজ নিতাম গেছিলাম আড়তে কইছে আরো ২/১ দিন লাইগবো।

এছাড়া ওই এলাকার দোকানগুলোতে পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা। সব দোকানেই দেশি জাতের পেঁয়াজ।’

গতকাল শুক্রবার কারওয়ানবাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে জানা গেছে, দেশি পেঁয়াজ ৭৫ থেকে ৮৩ টাকা, মিয়ানমার ৭৬ ও চায়না ৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে আমদানিকৃত পেঁয়াজের পরিমাণ খুবই কম।

আর খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা দোকানগুলোতে আমদানিকৃত পেঁয়াজ নেই বললেই চলে। এছাড়া কারওয়ান বাজারে চায়না আদা ২৩০ টাকা, চায়না রসুন ৮৫ থেকে ৯০ টাকা ও দেশি রসুন ১১০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এছাড়া, পাইকারি বাজারে আলু ২২০ টাকা পাল্লা বা ৪৪ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে আলুর দাম ৫০ টাকা। একাধিক বিক্রেতা জানিয়েছেন, বাড়তি আলুর দাম আর কমেনি।

সবজির মধ্যে কারওয়ানবাজারে বেগুন ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, বটবটি ৬০ টাকা, পটোল ৫০  টাকা, টমেটো ১০০ টাকা ও গাজর ৭০ টাকা, রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, সেগুনবাগিচা, সূত্রাপুর, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, উত্তরা এলাকার বাজারের চিত্রও এমনই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে আলুর বার্ষিক চাহিদা ৭০-৭৫ লাখ টন। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এটি উৎপাদন হয়েছে এক কোটি আট লাখ টনেরও বেশি। উদ্বৃত্ত উৎপাদন সত্ত্বেও কয়েকদিন অস্বাভাবিক পরিস্থিতি চলছে আলুর বাজারে। ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজি ৫০ টাকা ছাড়িয়েছে।  

কৃষকদের দাবি, চলতি বছরের উৎপাদন মৌসুমে তারা প্রতি কেজি আলু ১২-১৫ টাকায় বিক্রি করেছেন। সেই আলু কিনে মজুদ করেন হিমাগার মালিক ও ব্যবসায়ীরা, যা এখন হিমাগার গেটে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকার বেশি দামে। ৬০ কেজির এক বস্তা আলু হিমাগারে সংরক্ষণে তাদের খরচ পড়ে ১৮০-২২০ টাকা। ক্রয়মূল্য, হিমাগার খরচ ও অন্যান্য খরচ মিলে প্রতি বস্তা আলুতে মোট খরচ হয় এক হাজার ২০০ থেকে দেড় হাজার টাকা। কিন্তু সেই আলু এখন দুই হাজার ১০০ টাকারও বেশি দামে বিক্রি করছেন হিমাগার মালিক ও ব্যবসায়ীরা।

এদিকে বর্তমানে খুচরা বাজারে সব ধরনের ভোজ্য তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে। সয়াবিনের দাম লিটারে ১৮ টাকা পর্যন্ত বেড়ে এখন ৯৫-৯৭ টাকায় উঠেছে। খুচরা বাজারে এখন সাধারণ মানের খোলা পাম তেল বিক্রি হচ্ছে ৮৯-৯০ টাকা লিটার। আর ভালো মানের পাম তেল ৯৩-৯৪ টাকা লিটার। অর্থাৎ ভালো মানের সয়াবিন ও পাম তেলের দাম প্রায় সমান।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, গত এক মাসে খোলা সয়াবিনের দাম বেড়েছে সাড়ে ৬ শতাংশ। বোতলজাত সয়াবিনের দাম বেড়েছে আড়াই শতাংশ, খোলা পাম তেলের দাম বেড়েছে ১৪ শতাংশ ও পাম সুপারের দাম বেড়েছে সাড়ে ১২ শতাংশ। বাজারে বোতলজাত এক লিটার সয়াবিনের দাম ১০৫ টাকা থেকে ১১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বাড়তে থাকা চালের দাম চলতি সপ্তাহে আরো বেড়েছে। চিকন মিনিকেট, নাজিরশাইল কেজিতে এক-দুই টাকা বেড়ে ৫৭-৬৫ টাকায় উঠেছে। ৪৫ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না ব্রি-২৮, স্বর্ণা, পাইজাম, চায়না ইরিসহ মোটা চাল। ভালো মানের মোটা চাল ৫২ টাকা কেজি।

বাংলাদেশ রাইস মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য মতে, পাইকারি বাজারে মিনিকেট বিক্রি হয়েছে আগের সপ্তাহের তুলনায় ৫০ পয়সা বেশি দামে সাড়ে ৫৪ টাকা কেজি। ব্রি-২৮ বিক্রি হয়েছে ৪৮ টাকা, নাজিরশাইল ৫৮ টাকা, কাটারিভোগ ৮২ টাকা কেজি দরে। এছাড়া বাসমতি ও চিনিগুঁড়া পাইকারি বাজারে কেজিতে এক টাকা বেড়ে ৬১ ও ৮৯ টাকা বিক্রি হয়েছে। খুচরায় এসব চালের দাম বাজার ভেদে পার্থক্য রয়েছে।

আলুর দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দেয়ায় ব্যবসায়ীদের সমালোচনা করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, এ বছর আলুর বাড়তি চাহিদার সুযোগ নিচ্ছেন ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকরা। এক কেজি আলুতে ২০ টাকা লাভ করছেন তারা। বাজারে চাহিদা বৃদ্ধি এবং নানা কারসাজির কারণে দাম নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন একটা কাজ। তবে আমরা নীরব দর্শকের ভূমিকায় নেই।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, যেকোনো পণ্যের ক্ষেত্রে বাজারে কোনো ধরনের যোগসাজশ কিংবা মনোপলি আচরণ করলে প্রতিযোগিতা কমিশন গুরুত্বসহকারে বিষয়টি তদারক করে। আলুর ক্ষেত্রে বাজারে এক ধরনের অস্বাভাবিকতা বিরাজ করছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখবো।

ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির ভূঁইয়া বলেন, ‘বাজারে আলুর শঙ্কট আছে বলে আমরা মনে করি না। আসলে বাজার নিয়ন্ত্রণের সরকারের কোনো পদক্ষেপ কাজে আসেনি। যার ফলেই আজ এই অবস্থা। বাজার নিয়ন্ত্রণে বাস্তবিকভাবে সরকারের ভূমিকা থাকা উচিত। যেখানেই অস্বাভাবিকতা দেখা দেবে সেখানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া উচিত।’

চট্টগ্রামে কাগজে ভাঁজেই গুঁজে আছে সরকারের নির্দেশনা : সরকারিভাবে আলুর দাম খুচরা বাজারে ৩০ টাকা কেজি বেধে দেয়া হলেও এ নিয়ম মানছে না কেউ। গতকাল  চট্টগ্রামের খুচরা বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা কেজি দরে। পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩৮ টাকা।

জানা গেছে, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর থেকে জেলা প্রশাসকদের ভোক্তা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দিয়েছে। সেই সঙ্গে কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ের সর্বোচ্চ ২৩ টাকা এবং আড়তে ২৫ টাকা কেজি আলু বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর থেকে আলুর দাম বেঁধে দেয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে দিনজুড়েই সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে আলু। কম দামে আলু পাওয়ার আশায় বাজারে গিয়ে অনেককেই হতাশ হতে হয়েছে। কারণ আগের মতোই আলুর জন্য চড়া দাম গুনতে হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার নগরীর বিবির হাট, বদ্দারহাট. ২ নং গেট কর্ণফূলী কমপ্লেক্সে আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা দামে। বিবিরহাটের সবজি বিক্রেতা আলাউদ্দিন বলেন, অন্যান্য সবজির দাম কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে গত সপ্তাহের মতো। তবে ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে সবজি।

শুক্রবার আলু ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি। বদ্দারহাট বাজারে সবজি বিক্রেতা আবদুর রশিদ বলেন, ‘আলু আমাদের পাইকারিতে ৩৮ টাকায় কিনতে হচ্ছে। আমরা কমে কিভাবে বিক্রি করবো।’

কর্ণফূলী কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ী জমির উদ্দিন বলেন, ‘সরকার আলুর দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু আমরা সে দামে কিনতে তো পারছি না। সবাই খুচরা ব্যবসায়ীদের দোষ দেয়। কিন্তু আমরা যদি কম দামে কিনতে না পারি তাহলে কিভাবে সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি করবো।’

খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী দরবার বাণিজ্যলয়ের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন, ‘আড়তে ৩৫ থেকে ৩৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আলু। আমরা কম দামে পারলে কম দামে বিক্রি করতে পারতাম।’

নগরের ২ নং গেট কর্ণফুলী কমপ্লেক্সে বাজার করতে আসা চাকরিজীবী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির মধ্যে আলু হচ্ছে প্রধান সবজি। কিন্তু আমাদের দেশে প্রচুর আলু উৎপাদন হওয়ার পরও আলুর দাম অনেক বেশি। এটা শুধু সিন্ডিকেটের কারণে হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’

ভোক্তা অধিকারের অভিযান : মূল্য তালিকায় আলু ২৫ টাকা
নগরের কোতয়ালী থানার রিয়াজউদ্দিন বাজার, ইপিজেড থানার ইপিজেড বাজারে আলু, পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের মূল্য তালিকা ও কেনার রশিদ পর্যবেক্ষণ করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

গত বৃহস্পতিবার রিয়াজউদ্দিন বাজারে চট্টগ্রামের আলুর বড় পাইকারি বাজার পরিদর্শনকালে পাইকারি বিক্রেতারা সরকার নির্ধারিত দামে আলু বিক্রির প্রতিশ্রুতি দেন এবং মূল্য তালিকা সংশোধন করে ২৫ টাকা লেখেন।

এপিবিএন-৯ এর সহায়তায় এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্লাহ, সহকারী পরিচালক (মেট্রো) পাপীয়া সুলতানা লীজা ও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।

মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশ ও প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় চকবাজার, কোতোয়ালী, ইপিজেড ও হালিশহর থানায় তদারকিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এ সময় ৫ প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় মোট এক লাখ ৩৭ হাজার টাকা প্রশাসনিক জরিমানা করা হয়েছে।  

রিয়াজউদ্দিন বাজারের প্রবেশমুখের খাজা সুইটসকে নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খোলা অবস্থায় খাদ্যপণ্য সংরক্ষণ করায় ১৭ হাজার টাকা জরিমানাসহ প্রায় ১০ কেজি জিলাপি ধ্বংস করা হয়। মক্কা সুইটস অ্যান্ড বেকারিকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রক্রিয়া করায় ১০ হাজার টাকা, জব্বার সুইটসকে ছাপানো নিউজপ্রিন্ট ব্যবহার করে খাদ্যপণ্য সংরক্ষণ ও রাস্তার পাশে ধুলোবালিপূর্ণ স্থানে জিলাপি সংরক্ষণ করায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ বর্ণিত মিষ্টি ধ্বংস করা হয়। হালিশহর থানার সুন্নাহ মার্টকে উৎপাদন ও মেয়াদবিহীন পণ্য সংরক্ষণ করায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একজন ক্রেতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুমিদস হট কেককে লেবেলবিহীন রং ও ফ্লেভার ব্যবহার করে কেক তৈরি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কেক তৈরির উপকরণ রাখায় ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।  

আমারসংবাদ/এসটিএম