শিরোনাম

বেড়েছে বনায়নের পরিমাণ

প্রিন্ট সংস্করণ॥বেলাল হোসেন  |  ০৫:২২, জুন ১৯, ২০১৯

সরকারের নানামুখী উদ্যোগের ফলে দেশে দিন দিন বনায়ন ও বনভূমির পরিমাণ বাড়ছে। জলাবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় বনভূমি ও বনায়নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই গুরুত্বকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার মূলত দেশে অধিক হারে বনায়ন ও বনভূমি সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় নিরন্তর কাজ করার ফলেই দেশে ক্রমাগত বনভূমি ও বনায়নের পরিমাণ বাড়ছে। এমন তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, প্রতি বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী বৃক্ষ রোপণের উদ্যোগ নেয়া হয়। পাশাপাশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়েও বৃক্ষ রোপণে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা, পরামর্শ দিয়ে আসছে। মূলত এসব কারণেই দেশে ক্রমাগত বনভূমি ও বনায়নের পরিমাণ বাড়ছে।

এর সাথে যুক্ত হয়েছে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি। এই সাথে নতুন বন সৃজন, বন, বৃক্ষ রক্ষায়ও নেয়া হয়েছে ব্যাপক কর্মসূচি। বর্তমানে দেশে মোট বনভূমির মধ্যে সরকারি বনভূমি ১৫ ও গ্রামীণ বনজ সম্পদ ১৭ শতাংশ। অথচ বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে ২২ দশমিক ৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞদের সার্বিক সহযোগিতায় বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় পরিচালিত জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য ওঠে এসেছে।

আগামী ২০ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন উপলক্ষে গতকাল সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে পরিবেশমন্ত্রী এই তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও উপমন্ত্রী হাবিব উন নাহার। প্রতিবছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস হলেও এ বছর রমজানের কারণে ২০ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করবে মন্ত্রণালয়।

ওইদিন সকাল ১০টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবারে দিবসের প্রতিপাদ্য ‘আসুন, বায়ু দূষণ রোধ করি।’

বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরীর কাছে বনায়নের পরিমাণ বৃদ্ধির বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বনায়নের পরিমাণ বলতে শুধু বনের গাছপালা বোঝানো হয়নি।

বনভূমির পাশাপাশি সামাজিক বনায়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বন সংরক্ষণ ও বৃক্ষ সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত গাছপালাও এই হিসাবের অন্তর্ভুক্ত। সে হিসাবে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদিত এলাকা ২২ দশমিক ৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলে তিনি ব্যাখ্যা দেন।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত