শিরোনাম

অযৌক্তিক ব্যয় ও ভুয়া নামে প্রকল্প অনুমোদনের চেষ্টা

প্রিন্ট সংস্করণ॥জাহাঙ্গীর আলম   |  ০৮:২৪, সেপ্টেম্বর ০৮, ২০১৯

বিভিন্ন নদীর নাব্য ফেরাতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অসংখ্য প্রকল্প চলমান। তারপরও অযৌক্তিক ব্যয়ে জিনাই, ঘাঘট, বংশী ও বাগদা নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধারে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্প তৈরি করে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে।

এর ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা। তা যাচাই করতে সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন অঙ্গে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় আপত্তি করা হয়।

শুধু তাই নয়, ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ওই চার নদীর কোনো অস্তিত্ব বা প্রবাহ না থাকলেও প্রকল্প এলাকা হিসেবে অন্য ৩১ উপজেলার সঙ্গে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর সত্যতা যাচাই করতে বিভিন্ন জায়গায় অনুসন্ধান করা হলে ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়।

২০২৪ সালে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বিআইডব্লিউটিএ। এ ব্যাপারে নৌ-সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের মতামত জানতে চাইলে তারা কিছুই জানেন না বলে মন্তব্য করেন।

এসব তথ্য নিয়ে দৈনিক আমার সংবাদে ‘পাঁচ হাজার কোটি টাকা লুটপাটের পাঁয়তারা’ শিরোনামে ২৮ আগস্ট একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর বিভিন্ন জায়গায় সমালোচনার ঝড় উঠলে আরও অনুসন্ধান করা হয়। তাতে আরও ভয়াবহ তথ্য পাওয়া যায়।

‘জিনাই, ঘাঘট, বংশী ও বাগদা নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধারের জন্য শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, নৌ-পথের উন্নয়ন ও বন্যাব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এ প্রকল্পে জেলা প্রশাসক অফিসের তালিকা ছাড়াই নদীর নাব্য প্রকল্পে প্রায় তিন হাজার বিঘা ভূমি কেনা হবে।

এটা অধিগ্রহণ করতে বিশাল অংকের ২৭৮ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এভাবে ক্যাপিটাল ড্রেজিং, কনসালটেন্সি নিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক ও অযৌক্তিক ব্যয় ধরা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, সরকারি বহু ড্রেজার থাকার পরও বেসরকারি লোকদের জন্য ড্রেজিং রেট প্রতি ঘনমিটারে ৭০ টাকা বেশি ধরা হয়েছে। এ খাতে ব্যয় হবে আড়াই হাজার কোটি টাকারও বেশি।

ডাইক নির্মাণেও অন্যান্য প্রকল্পের তুলনায় প্রতি ঘনমিটারে বেশি ধরা হয়েছে ৫৮ টাকা। এতে ১৪০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।এভাবে প্রতিটা অঙ্গে অযৌক্তক ব্যয় প্রাক্কলন করেছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়।

প্রকল্পটি অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) পরিকল্পনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মুহম্মদ মহিউদ্দিন চৌধুরী, পরিচালক জাভেদ আনোয়ার, ড্রেজিং বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মতিন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. ছাইদুর রহমান, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী প্রধান এসএম শফিকুল ইসলাম ও নৌ-মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুস সামাদের সই করার পরই চূড়ান্ত করা হয়েছে।

প্রায় দেড়শ পৃষ্ঠার ডিপিপিতে সই করার পরই অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। তারপরও জানতে চাইলে তাদের কেউ বলছেন, জানি না কিছু।

কেউ বলছেন, আগের কথা, মনে নেই। কেউ বা বলছেন, ভুলে নাম চলে গেছে। আমার সংবাদকে তারা এভাবেই জবাব দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে দুর্নীতিবিরোধী সংগঠন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান আমার সংবাদকে বলেন, যথেষ্ট ও সঠিক তথ্য সংগ্রহ করেই উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন বা প্রস্তাব করা হয়। কাজেই প্রকল্পে ভুয়া কিছু থাকলে তার দায় সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে। গফরগাঁওয়ে ওই চার নদী না থাকলেও এলাকা হিসেবে ধরা হয়েছে।

এর দায় তারা এড়াতে পারেন না। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে উন্নয়নের নামে দেশে দুর্নীতির মচ্ছব চলায় এ ধরনের ভুয়া প্রকল্প করতে সাহসী হয়েছে। এ জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ— সঠিকভাবে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে সঠিক প্রকল্প প্রণয়ন করা। যাতে জনগণের প্রকৃত উপকারে আসে। অন্যদিকে সরকার অর্থের অপচয় থেকে রক্ষা পায়।

সূত্র মতে, চার নদীর উন্নয়নে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। তা যাচাই করতে ১৯ আগস্ট পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন অঙ্গে অসঙ্গতি ধরা পড়ে।

তাই ওইসব ব্যাপারে আপত্তি করা হয়। বলা হয়— সম্পূর্ণ সরকারি অর্থে এতো বড় প্রকল্প গ্রহণ করা মোটেই ঠিক হয়নি। প্রতিষ্ঠানটিতে ২০টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়েছে। ১০টি সংগ্রহের কাজ শেষপর্যায়ে।

তারপরও বেসরকারি খাতকে সুবিধা দিতে বেশি দামে ১৯০ টাকা ঘনমিটার ড্রেজিং রেট কেন প্রশ্ন তোলা হয় সভায়। কারণ প্রতি ঘনমিটার ড্রেজিংয়ে ৭০ টাকা বেশি ধরা হয়েছে।

এ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকারও বেশি। ডাইক নির্মাণেও প্রতি ঘনমিটারে ১০০ টাকা ধরা হয়েছে। যা অন্যান্য প্রকল্পের তুলনায় ৫৮ টাকা বেশি। এটা খুবই বেশি।

এখাতে ১৪০ কোটি টাকা ব্যয় বেশি ধরা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেট সংগ্রহ না করেই নদীর বাঁধ রক্ষার কাজেও ৭৬ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। কোন কোন স্থানে করা হবে তাও উল্লেখ করা হয়নি।

সূত্র আরও জানায়, জেলা প্রশাসক অফিসের তালিকা ছাড়াই ৩৭৫ হেক্টর (২ হাজার ৭৭৯ বিঘা) ভূমি কেনার কথা বলা হয়েছে। তাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭৮ কোটি টাকা।

নদীর কাজে ভূমি অধিগ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়ে আপত্তি করা হয়। প্রকল্পের পুরো কাজ ৩২টি প্যাকেজে দরপত্র আহবানের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা খুবই বেশি।

এভাবে প্রতিটা অঙ্গে অযৌক্তক ব্যয় প্রাক্কলন করেছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়। ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে জিপসহ ৬টি গাড়ি কেনা হবে। ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে কন্সালটেন্সি খাতে। তাই এসব ব্যাপারে আপত্তি করে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলা হয়।

প্রকল্পটি ১০ জেলার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর এম মাহবুব-উল ইসলামসহ শীর্ষ পর্যায়ের পাঁচজনের সই লাগে প্রকল্প তৈরি করতে।

শুধু তাই নয়, এরপর নৌ-মন্ত্রণালয়ের স্টিটিয়ারিং কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই প্রকল্পটি চূড়ান্ত করে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। সভায় নৌ-সচিব আবদুস সামাদ সভাপতিত্ব করেন।

তারপরও গফরগাঁও-এর নাম বাদ দেননি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নৌ সচিব বলেন, এটা অনেক আগের কথা। তাই স্পষ্টভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। হয়তো ভুল করে নাম দেয়া হয়েছে।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিআইডব্লিউর পরিকল্পনা বিভাগ প্রধান ও পরিচালক জাভেদ আনোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ব্যস্ত থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

যুগ্ম পরিচালক মুহাম্মদ মহিউদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমার সংবাদকে বলেন, আমি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হলেও টেকনিক্যাল ব্যাপার ড্রেজিং বিভাগ দেখে। পরিকল্পনা বিভাগ শুধু ফরমেটে ফেলে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করে। কাজেই কোনো তথ্যগত ভুল থাকলে ড্রেজিং বিভাগের ব্যাপার।

এ ব্যাপারে নৌ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রণালয়ে অনেক প্রকল্প আসে বিভিন্ন এজেন্সি থেকে। কাজেই চার নদীর নাব্য নিয়ে যে ভুয়া প্রকল্প বলছেন তা না দেখে কিছু বলা যাবে না। প্রশিক্ষণে থাকায় তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ড্রেজিং বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল মতিনই সব কিছু সিদ্ধান্ত নেন।

তার নেতৃত্বেই প্রকল্প চূড়ান্ত করা হয়। এ প্রকল্পেও তাই হয়েছে। তার সইও আছে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি)। যোগাযোগ করা হলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, সব কাজই দেখা সম্ভব হয় না। তাই এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।

তিনি আরও বলেন, সবকিছু কি সবসময় মনে থাকে। জুনিয়ররা জানে। তারা তথ্য উপাত্ত নিয়ে কাজ করে। বস হিসেবে তাতে সই করি বলে অতিরিক্ত পরিচালক রাকিবের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

তার কথা মতো জানতে চাইলে রাকিব বলেন, ভুল করে এ প্রকল্পে গফরগাঁয়ের নাম দেয়া হয়েছে।

১৯ আগস্ট পিইসি সভায় তা বলা হয়েছে। তবে অন্য প্রশ্ন করা হলে তিনি সীমাবদ্ধতার কথা বলে তথ্য দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. ছাইদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও ব্যস্ত থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

প্রকল্পের প্রথম থেকে শেষ পৃষ্ঠার সব জায়গাতে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী প্রধান এসএম শফিকুল ইসলামের সই করা। তারপরও জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডিপিপি না দেখে বলা যাবে না গফরগাঁও কীভাবে যুক্ত হয়েছে। আসল ঘটনা কি।

নৌ-মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুস সামাদ এ প্রতিবেদককে সম্প্রতি স্পষ্টভাবে বলেন, গফরগাঁয়ে নেই ওই চার নদী। তারপরও কেন নাম দেয়া হয়েছে তা বলা যাচ্ছে না। হয়তো ভুলে দেয়া হতে পারে। সচিব, চেয়ারম্যান, প্রধান প্রকৌশলীসহ সাতজন সই করেই প্রকল্প তৈরি করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। তারপরও তারা বলছেন কিছু জানি না।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিকল্পনা কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা আমার সংবাদকে বলেন, ডিপিপির সবকিছু দেখেশুনে ব্যয় কম-বেশি যাচাই করা হয়। কিন্তু কি নাম আছে বা নেই তা যাচাই করা সম্ভব নয়। চলমান প্রকল্পের চেয়ে ব্যয় বেশি মনে হলে কমিয়ে দেয়া হয়।

আবার প্রকল্প এলাকা কি কি হবে তা জানার জন্য ম্যাপ চাওয়া হয়। অনেক মন্ত্রণালয় দেয় না। অনুষ্ঠিত পিইসি সভায় প্রকল্পের ম্যাপ চাওয়া হয়েছে। সংশোধিত ডিপিপিতে তা দেয়ার কথা বলা হয়েছে। যদি দেয় তা হলে বুঝা যাবে আসল না ভুয়া প্রকল্প।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা ভুল করলে তার দায় তাদের। আমাদের দেখার বা করার কিছু নেই। তবে ভুয়ামি হলে আমাদেরও খারাপ লাগে বলে মন্তব্য করেন তারা।

তারা আরও বলেন, পিইসি সভায় তারা কেউ বলেননি যে, ভুলে এলাকা হিসেবে গফরগাঁও চলে এসেছে। আসলে তা আমরাও জানতে পারতাম বলে তারা জানান।

সূত্র জানায়, প্রকল্পটিতে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থে ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৭৮৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা। প্রকল্প এলাকা ধরা হয়েছে— রংপুর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের ১০ জেলার ৩২টি উপজেলা।

এরমধ্যে রংপুর জেলা সদর, মিঠাপুকুর, পীরগাছা ও গঙ্গাচড়া উপজেলা। গাইবান্ধা জেলা সদর, সাদুল্লাহপুর, ফুলছড়ি ও সুন্দরগঞ্জ। নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা উপজেলা। ঢাকা জেলার সাভার, কেরানীগঞ্জ ও ধামরাই। গাজীপুরের কালিয়াকৈর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া ও কালিগঞ্জ। মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর। জামালপুর সদর, সরিয়াবাড়ী, মেলানদহ ও মাদারগঞ্জ। টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর, ঘাটাইল, কালিহাতী, বাসাইল, সখীপুর, মির্জাপুর, গোপালপুর ও ভুয়াপুর উপজেলা এবং শেরপুর সদর উপজেলা।

এছাড়া ময়মনসিং জেলার গফরগাঁও উপজেলাও তালিকাভুক্ত করা হয়েছে প্রকল্প এলাকা হিসেবে।

গফরগাঁও উপজেলার সাধারণ তথ্যসম্বলিত পরিসংখ্যান, উইকিপিডিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ওই চারটি নদী কম বেশি প্রবাহিত হয়েছে।

গফরগাঁয়ের উল্লেখযোগ্য নদী হচ্ছে— পুরান ব্রহ্মপুত্র নদ। এছাড়া বানার, দইলা, পাগারিয়া, সুতিয়া নদী প্রবাহিত রয়েছে। কিন্তু ওই চার নদীর অস্তিত্ব নেই।

গফরগাঁয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টাকা হাতিয়ে নেয়ার পাঁয়তারা। তা না হলে এতো বড় বড় অফিসাররা বিভিন্ন মিটিং করেছেন। তারপরও কেন গফরগাঁয়ের নাম?

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত