শিরোনাম

বুয়েটের হলে হলে টর্চার সেল

অভিযোগের ধরন বুঝে হতো নির্যাতন

প্রিন্ট সংস্করণ॥নুর মোহাম্মদ মিঠু   |  ০১:২২, অক্টোবর ১০, ২০১৯

মেধাবীদের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। যেখানে হয় রঙিন স্বপ্নের বাস্তবায়ন, এমন একটি প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় চুক্তির সমালোচনা করায় হত্যা করা হয়েছে তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে। এ ঘটনায় বুয়েটে ছাত্রলীগের অপকর্মের ডেরার তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে যতটা, তার চেয়েও বেশি প্রকাশ হচ্ছে ছাত্রলীগের বর্বরতার নিষ্ঠুর চিত্র। কেউ কেউ বলছেন, ছাত্রলীগের দখলে থাকা সবকটি হলই টর্চার সেলে পরিণত হয়েছে ইতোমধ্যে। যেখানে অজুহাতের ধরন বুঝে সাধারণ শিক্ষার্থীদের করা হতো অমানবিক নির্যাতন। আবরার হত্যার মধ্য দিয়েই এসব টর্চার সেলের তথ্য বেরিয়ে আসছে একের পর এক।

বুয়েটের শেরে বাংলা হল, যেখানে দীর্ঘ সাত ঘণ্টা নির্যাতন করে হত্যা করা হয় আবরারকে। এ হলের নিয়ন্ত্রক বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে রাসেল। আবরার হত্যায় জড়িত অন্য সব আসামির সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এবং রাসেলেরই অনুসারী। এ হলেই গত বছরের ডিসেম্বরে বুয়েট ছাত্রলীগের সম্মেলনে না যাওয়ায় এবং গিয়েও চলে আসার অভিযোগে ১৭তম ব্যাচের ছাত্রদের ছাদে নিয়ে বেধড়ক পেটায় ছাত্রলীগ। ভেঙে দেয়া হয় এক ছাত্রের হাত। কিন্তু তাকে হুমকি দিয়ে বলা হয়, বাইরে গিয়ে যেন ঘটনা প্রকাশ না করে।

ভয়ে ওই ছাত্র সহপাঠীদের জানান, সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়েই হাত ভেঙেছে তার। হলের সামনের দেয়ালে একটি গ্রাফিতি আঁকার ঘটনায় আরেক ছাত্রও ফেসবুকে পোস্ট দেন। এ নিয়ে ওই ছাত্রকে ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে পেটান ছাত্রলীগ নেতা অনিক সরকার, যিনি আবরার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল নিজেই আরেক ছাত্রকে মারধর করেন বলেও জানান ওই হলের ছাত্ররা।

আরেক ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, হলে এমনও হয়েছে, জামার হাত গুটিয়ে রাখার কারণেও ছাত্রদের চড়-থাপ্পড় দিতো হলের ছাত্রলীগের নেতারা। এমনকি সালাম না দেয়ার কারণেও মারধর করা হতো। শুধু তাই নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে আটকে রাখার খবর পেয়ে গত বছরের ডিসেম্বরে ওই হলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে তিন সাংবাদিককেও সেখানকার ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মারধর ও হয়রানি করে।

এছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় সমস্যা— র‌্যাগিং। বিভিন্ন আবাসিক হলের টর্চার সেলে র‌্যাগিংয়ের শিকারও হয় কনিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা। কিছুদিন আগেও আহসানউল্লাহ হলে এক ছাত্রের কান ফাটিয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে। এসব ঘটনা এতদিন ধরে আড়ালে থাকলেও আবরার ফাহাদ হত্যায় বেরিয়ে আসছে গোপনে থাকা সব তথ্য।

এদিকে আবরার হত্যায় লজ্জা প্রকাশ করা ছাত্রলীগ দীর্ঘদিন থেকেই বুয়েট রেখেছে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে। যেখানে টুঁ শব্দটিও করার সাহস ছিলো না বুয়েট প্রশাসনের। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তা আরও বেশি ভয়ানক। তাদের করা হতো ঠুনকো অজুহাতেও মারধর, নিত্যনতুন পদ্ধতিতে নির্যাতন। যা কখনো কল্পনাও করেনি কেউ যে, বুয়েটের মতো এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এরূপ কাণ্ডকীর্তি ঘটতে পারে। গতকাল বুয়েটে আন্দোলরত শিক্ষার্থী ও সেখানে থাকা শিক্ষকদের সঙ্গে কথা হলে আমার সংবাদকে এমনটাই জানান তারা।

শিক্ষকদের কয়েকজন জানান, আমরা এমন একটি হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে কল্পনাও করতে পারিনি। সুষ্ঠু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল সবকিছু। কিন্তু এ স্বাভাবিকতার মধ্যেই বুয়েটে সাধারণ শিক্ষার্থীদের র্যাগিংয়ের নামে এমন নির্যাতন, দলীয় মিটিং-মিছিলে না গেলে মারধর করা, বড় ভাইদের সিগারেট এনে না দিলে নির্যাতন করা; এসবের কিছুই জানতেন শিক্ষকরা কিংবা প্রশাসন।

বুয়েটে ছাত্রলীগের নেতারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাধিক ধাপে নির্যাতন করতো। তার মধ্যে চড়-থাপ্পড় ছিলো সাধারণ বিষয়। এরপর অজুহাতের ধরণ বুঝে দেওয়া পিটুনী। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পেটানো হতো ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে। কখনো বিভিন্ন রকম মিথ্যা অভিযোগ তুলেও পেটানো হতো এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের না চিনলেও প্রহার করা হতো। কিন্তু বুয়েটে ছাত্রলীগের এসব ‘অপকর্মের’ বিচার হয় না। বিশ্ববিদ্যালয় এবং হল প্রশাসনও এসব বন্ধে কার্যকর উদ্যোগও নেয়নি আদৌ। নীরবে নিভৃতে ছাত্রলীগের এসব ঘটনা বাড়তে থাকে।

বুয়েটের একাধিক শিক্ষার্থী আমার সংবাদকে বলেন, সেখানে কোনো জবাবদিহি নেই। পুরো বিশ্ববিদ্যালয়েই ভয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়েছে। আগের ঘটনাগুলোর বিচার না হওয়ায় নির্যাতনের শিকার হলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা চেপে যেতে বাধ্য হন। প্রশাসন যদি এসব বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতো, তাহলে হয়তো মেধাবী ছাত্র আবরারকে মরতে হতো না।

আবরার হত্যাকাণ্ড দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচনায় ঠাঁই করে নিয়েছে। গতকাল আবরার হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো এ দাবি জানান। এ ছাড়া এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন। হাইকমিশনের নিজস্ব ফেসবুক পেজে বাংলা ও ইংরেজিতে দেয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, বুয়েটে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আমরা বিস্মিত ও মর্মাহত। যুক্তরাজ্য বাকস্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রসঙ্গে নিঃশর্তভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।

বিশ্বব্যাপী আলোচিত এমন একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকলেও এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়নি এ হত্যাকাণ্ডে আলোচনার শীর্ষে থাকা বুয়েট ছাত্রলীগের আইন-বিষয়ক সম্পাদক অমিত সাহাকে। অভিযোগ থাকলেও মামলায় রহস্যজনক কারণে তাকে করা হয়নি আসামিও।

অমিত এখন কোথায়, তা বলতেও পারছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ। অথচ আবরারকে তার কক্ষেই হত্যা করা হয়। আবরার হত্যাকাণ্ডে অমিত সাহা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বলে বারবার শিক্ষার্থীরা দাবি করলেও অবশ্য কেউ কেউ বলছেন, তিনি ওইদিন হলে ছিলেন না। সাড়ে ৭টার দিকে তিনি হল থেকে বেরিয়ে যান।

চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহরাব হোসেন বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে যাদের শনাক্ত করা হয়েছে, কেবল তাদের নামেই মামলা হয়েছে। এর পরও তদন্ত হবে। তদন্তে যদি অমিতের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়, অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনসাসনেসের (ইসকন) সদস্য অমিত সাহা। ইসকনের ব্যানারে তিনি বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্ম নিয়ে বিভিন্ন স্ট্যাটাস দিতেন। তবে ঘটনার পর থেকে তার ফেসবুক ডিঅ্যাকটিভ রয়েছে। তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ।

এদিকে বুয়েট ক্যাম্পাসজুড়েই রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। কিন্তু এসব সিসিটিভি নজরদারিতে ছিলো না বুয়েট প্রশাসনের। বুয়েট কখনোই এসব সিসিটিভির দেখভালও করেনি। এমন অভিযোগ করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। যদি সিসিটিভি ফুটেজ হলের প্রভোস্টরা নজরদারিতে রাখতেন, তাহলে আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনা ঘটতো না।

এছাড়া অন্যান্য অপ্রকাশিত ঘটনাও প্রশাসনের নজরে থাকতো। সিসিটিভি কেন নজরদারিতে রাখা হয় না— শিক্ষার্থীদের এমন প্রশ্নেরও উত্তর দিতে পারেননি শিক্ষকরা। তবে বুয়েটের এক শিক্ষক বলেন, এসব সিসিটিভি সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখার জন্য আমরা সহকারী প্রভোস্টকে দায়িত্ব দেয়ার বিষয়ে কথা বলবো।

এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করে বলেন, আমরা এসব নির্যাতনের বিষয়ে জানতাম না। শিক্ষার্থীরাও কখনো এসব নিয়ে অভিযোগ করেনি আমাদের কাছে।

খোদ শেরে বাংলা হলের পদত্যাগ করা প্রভোস্ট ড. মো. জাফর ইকবাল খান শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেন, তোমরা কি আমার কাছে কখনো অভিযোগ করেছো এসব নির্যাতনের বিষয়ে? এমন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে শিক্ষার্থীরাও পাল্টা প্রশ্ন জুড়ে দিয়ে বলেন, আপনি এ হত্যার দ্বায়ভার নেবেন কী না, আপনাকে পদত্যাগ করতে হবে। এছাড়া সবকটি হলেই সিসিটিভি রয়েছে। আপনারা সেগুলো না দেখেই নীরব রয়েছেন কেন? শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রভোস্টের কথার মিল না হওয়ায় সেখান থেকে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই ড. ইকবাল খানের পদত্যাগের ঘোষণাও আসে।

এদিকে আবরার হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজে উপস্থিতির ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, রোববার রাত ৩টার দিকে প্রাধ্যক্ষ ও সহকারী প্রাধ্যক্ষ তার বাসায় গিয়ে বিষয়টি জানান। তিনি বিষয়টি ভিসিকে জানান। ভিসি পুলিশকে জানাতে বলেছেন। তিনি বলেন, ফুটেজে যাদের দেখছো তারা সবাই ও সাদা পোশাকে যিনি ছিলেন তিনি ডাক্তার। কাদের চাপে লাশ সরিয়ে নেয়া হয়েছিল এ প্রশ্নে তিনি বলেন, আমার কোনো দুর্বলতা থাকলে আমি সেখানে আসতাম না। এ ছাড়া ওই দিন রাতে আবরারের লাশ উদ্ধারের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানান শিক্ষার্থীদের।

গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে কালো পতাকা মিছিল নিয়ে বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যোগ দেন ডাকসু ভিপি নূর। তিনি বলেন, ‘আবরার ফাহাদ প্রথম নয়, ২০০২ সালে বুয়েটে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হয়েছে, ঢাকা মেডিকেলে রাজীবকে হত্যা করা হয়েছে। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দখলদারিত্ব চলছে। তারা জোর করে শিক্ষার্থীদের মিটিং-মিছিলে নিয়ে যাচ্ছে, তাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে।’

ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন বন্ধ না করার। এ ছাড়াও গতকালের আন্দোলনে আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় দায় নিয়ে ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলামকে পদত্যাগেরও আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ শিক্ষক। এ সময় তিনি কুষ্টিয়ায় আবরারের বাড়িতে ছিলেন এবং সেখান থেকে এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে পুলিশি প্রটোকলে পালিয়ে আসেন। শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে বুয়েটে শিক্ষকদের রাজনীতি বন্ধেরও দাবি তুলেন। আবরার হত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করাসহ ১০ দফা দাবিতেই গতকালের আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, আবরার হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ কে এম মাসুদ বলেন, একজন অদক্ষ ভিসির কারণে আমাদের প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠানকে নষ্ট হতে দেবো না।’ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা তোমাদের নিরাপত্তা দিতে পারিনি। আমরা অপরাধী। বুয়েট শিক্ষক সমাজ আবরারের বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। তবে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বুয়েট থেকে আজীবন বহিষ্কার করতে যাচ্ছি আমরা।’

গেস্টরুমে ভালো কিছু শেখানো হয় দাবি করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বলেছেন, ‘এখানে কোনো নির্যাতন করা হয় না, শিক্ষার্থীদের ভালো কিছু শিখানো হয়। গেস্ট রুম নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, গেস্ট রুম ভালো সংস্কৃতি। এখানে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অনেক নিয়ম-কানুন শেখানো হয়। ছাত্রলীগ এটাকে পজিটিভ হিসেবেই দেখছে। গেস্ট রুমে নেগেটিভ কিছু অত্যন্ত কম হয়।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত