শিরোনাম

উৎপাদন বেশি থাকায় জুনে দাম কম ছিলো : পরিকল্পনামন্ত্রী

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক   |  ০৫:২৫, জুলাই ০৯, ২০১৯

বিদায়ী ২০১৮-১৯ অর্থবছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ। যা তার আগের অর্থবছরে ছিল ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। সেই হিসেবে গত অর্থবছরে লক্ষ্যের নিচেই রইল মূল্যস্ফীতি।

একই সঙ্গে বছরের শেষ মাস জুনেও সাধারণ মূল্যস্ফীতি এবং খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি মে মাসের চেয়ে কমেছে। শহরের মতো গ্রামেও এর হার কম ছিলো।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভা শেষে বিবিএসের তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এসব কথা জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-বিবিএসের মহাপরিচালক কৃষ্ণা গায়েনসহ অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, চাহিদার চেয়ে নিত্যপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কম ছিল। বিশেষ করে চাল, পেঁয়াজ, মরিচসহ উৎপাদন সরবরাহ বেশি থাকায় মূল্যস্ফীতি কম হয়েছে গত মাসে।

বিবিএসের ওই প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত জুনে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। কারণ তার আগের মাসে এর হার ছিল ৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অপরদিকে, খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক শূন্য এক শতাংশে, যা তার আগের মাসে একই ছিল।

শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশে, তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক শূন্য এক শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।

খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৬৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত