শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২০

২১ চৈত্র ১৪২৬

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্চ ১৯,২০২০, ০৬:০৩

মার্চ ১৯,২০২০, ০৬:০৫

মাদারীপুর-ফরিদপুরে করোনার রোগী বেশি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশে ঢুকেছে ভয়াবহ করোনাভাইরাস। এখন পর্যন্ত ৫ হাজার জনকে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। ফরিদপুর, মাদারীপুর এলাকায় করোনা রোগীর সংখ্যা বেশি। অবস্থার অবনতি হলে এ এলাকাগুলো লকডাউন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

কোন এলাকা লকডাউন করা হতে পারে, এ সম্পর্কে কোনো ধারণা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রবাসীরা যারা আসে, এর মধ্যে দু-একটি এলাকার খবর আমাদের কাছে আসে। এটা হলো মাদারীপুর, ফরিদপুর এলাকা। আরেকটা আছে শিবচর এলাকা।

এসব এলাকাতে বেশি করে দেখা যাচ্ছে। যদি অবনতি ঘটে। তাহলে আমরা লকডাউনের দিকে যাব। অন্যান্য জেলায় যতজন পাচ্ছি, সেসব জেলায় (মাদারীপুর, ফরিদপুর) বেশি পাচ্ছি।

আক্রান্ত ১৭ জনের মধ্যে বেশিভাগই সেখানকার। ওখানকার লোক বিদেশে থাকেও বেশি। সেজন্য আমরা সেসব এলাকা বেশি ক্রিটিক্যাল মনে করছি। আগামীতে সেখানে যদি সত্যিই (সংক্রমণ) বেড়ে যায়, তাহলে আমরা লকডাউন করে দেবো।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ইজতেমা মাঠে দুই হাজার মানুষকে চিকিৎসা দেয়া মতো ব্যবস্থা রয়েছে। প্রয়োজনে ইজতেমা মাঠেই আরও বড় পরিসরে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। আমরা এর জন্য প্রস্তুত রয়েছি।

জাহিদ মালেক আরও বলেন, কোয়ারেন্টাইন নির্দেশনা মানা না হলে প্রয়োজনে বেশি সংখ্যক মানুষের জন্য ঢাকার অদূরে অবস্থিত তুরাগ নদীর পারে ইজতেমা ময়দান প্রস্তুত করা হবে। একইসঙ্গে খুব দ্রুত দেশের ৮ বিভাগে নতুন করোনা ইউনিট স্থাপন করা হবে।

করোনাভাইরাস ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী বৃদ্ধি পেলে কী উদ্যোগ নেয়া হবে সে বিষয়েও আলোচনা করা হয়। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দেশ থেকে যাত্রীরা যেন বাংলাদেশে এই মুহূর্তে না আসে সে বিষয়েও নির্দেশনা দেন তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, ইতিমধ্যে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালকে এই রোগের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া আরও অনেক হাসপাতাল চিহ্নিত করা হয়েছে। যেখানে প্রায় দুই হাজার শয্যার ব্যবস্থা করা যাবে। তার পরও আরও বড় জায়গার প্রয়োজন হলে সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

আমারসংবাদ/এআই