বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২০

৫ কার্তিক ১৪২৭

ই-পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক

সেপ্টেম্বর ০৫,২০২০, ০২:১১

সেপ্টেম্বর ০৫,২০২০, ০২:১১

ওয়াহিদাকে হামলার কারণ জানালো যুবলীগের আসাদুল

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- ঘোড়াঘাট উপজেলার সাগরপুর এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে আসাদুল হক (৩৫) এবং চক বাবুনিয়া বিশ্বনাথপুরের মৃত ফরাজ উদ্দিনের ছেলে মো. নবীরুল ইসলাম (৩৪) এবং খোকা চন্দ্র কুমার বিশ্বাসের ছেলে সান্টু কুমার বিশ্বাস (২৮)।

এর আগে শুক্রবার সকালে ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেনকেও এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক করার কথা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। তবে জিজ্ঞাসাবাদে ‘তার সম্পৃক্ততা’ না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেয়ার কথা বলেছে র‌্যাব।  

র‌্যাব জানায়, আটককৃত আসাদুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে- চুরির উদ্দেশেই তারা এ হামলা চালিয়েছে। তার সহযোগী হিসেবে অপর দুইজন ছিল। তবে র‌্যাব বলছে, এটা আসাদুলের বক্তব্য, র‌্যাবের নয়।

র‌্যাবের বিস্তারিত জানাতে সময় লাগবে। র‌্যাব জানায় সেন্টু ও নবীরুল দু’জনই রঙ মিস্ত্রি।

গত বুধবার রাতে ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসের বাসভবনের ভেন্টিলেটর দিয়ে ঢুকে ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলা চালানো হয়।

হাতুড়ির আঘাতে গুরুতর আহত ইউএনও ওয়াহিদা এখন ঢাকার জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিসিএস ৩১ ব্যাচের কর্মকর্তা ওয়াহিদা ঘোড়াঘাটে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ২০১৮ সাল থেকে। তার স্বামী মেজবাহুল হোসেন রংপুরের পীরগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তাদের তিন বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে।

ঘটনার রাতে ওয়াহিদার বাসায় ছিলেন তার বাবা ওমর আলী। তিনি পুলিশকে বলেছেন, রাতে বাথরুমের ভেন্টিলেটর ভেঙে কেউ একজন বাসায় ঢোকে। ওয়াহিদা টের পেয়ে এগিয়ে গেল তার মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে।

এসময় ওমর আলী এগিয়ে গেলে তাকেও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে হামলাকারী পালিয়ে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আমারসংবাদ/এআই