বৃহস্পতিবার ০৪ জুন ২০২০

২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

আমার সংবাদ ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২৪,২০২০, ০৩:০২

ফেব্রুয়ারি ২৪,২০২০, ০৩:০২

যে কারণে বাংলাদেশি শিশুটিকে তাড়িয়ে দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশি শিশুটির নাম আদিয়ান বিন হাসান। তার বাবার নাম ডাক্তার মেহেদি হাসান ভুঁইয়া ও মায়ের নাম ডা. রেবেকা সুলতানা।

আদিয়ান জন্মগ্রহণ করেছে অস্ট্রেলিয়ায় এবং জন্মের সময়ই স্ট্রোক করেছিল। বর্তমানে সে সতর্ক অবস্থায় থাকে। ভারী কোনো কাজ করা কিংবা চাপ নেয়া তার পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে।

সামনের মাসেই অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশি এক পরিবারকে বের করে দেয়া হতে পারে। অথচ তারা স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাসের জন্য আবেদন করেছিলেন।

ডেইলি মেইলের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, তাদের মাত্র ছয় বছরের শিশুটি হালকামাত্রায় শরীরিক প্রতিবন্ধী; সে কারণে তাদের সঙ্গে এ ধরনের 'অবিচার' করা হচ্ছে।

এর আগে ২০১৫ সালে তাদের স্থায়ী বসবাসের আবেদন ফিরিয়ে দেয়া হয় এই বলে যে, তাদের সন্তান অস্ট্রেলিয়ায় থাকার জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যের মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই পরিবারকে সে দেশে না রাখার বিষয়ে রুল জারি করেছে।

সেই সঙ্গে আরো বলা হয়েছে, ছেলেটিকে নিয়মিত থ্যারাপি দিতে হবে, সে কারণে তাকে দেশের বোঝা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেও কোনো লাভ হয়নি।

আপিল ট্রাইব্যুনাল বলছে, শিশুর ব্যাপারে সরকারি সিদ্ধান্তের বাইরে অন্য কোনো মত তারা দিতে পারে না।

ওই পরিবারটি এখন সে দেশের অভিবাসনমন্ত্রী ডেভিড কোলম্যানের দিকে তাকিয়ে আছে।

তিনি চাইলে পরিবারটি বিতাড়নের কবল থেকে বাঁচতে পারে। অন্যথায় তাদের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে সব গুছিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসতে হবে।

ড. ভুইয়া গিলং এডভারটাইজারকে বলেছেন, তার পরিবারটি এক নরক যন্ত্রণার মধ্যে আছে। দেশে ফেরত পাঠানোর সময় যতই ঘনিয়ে আসছে তিনি ততই কাজে মন বসাতে পারছেন না।

তাদের অস্থায়ী ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২৪ শে মার্চ পর্যন্ত। এসময় পর্যন্ত তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করবেন।

তিনি আরো বলেছেন, মেডিকেল রিপোর্ট বলছে আদিয়ানের অবস্থা অনেকটা উন্নত হয়েছে। সে অন্য স্বাভাবিক বাচ্চাদের মতো সুস্থ হয়ে উঠছে।

আমারসংবাদ/এমএআই