শুক্রবার ০৭ আগস্ট ২০২০

২২ শ্রাবণ ১৪২৭

ই-পেপার

শেখ সেকেন্দার আলী, মালয়েশিয়া

জুলাই ২৭,২০২০, ০৬:৫১

জুলাই ২৭,২০২০, ০৬:৫৬

মালয়েশিয়ার সাগরে হারিয়ে যায়নি ২৭ রোহিঙ্গা!

নিরাপদ ভাবে প্রবেশে করেছে

হারিয়ে যায়নি ২৭ জন‌ রোহিঙ্গা। তবে তারা নিরাপদ ভাবে প্রবেশে করেছে মালয়েশিয়ায়। দেশটির নৌবাহিনীর এক সংবাদ সম্মেলনে এমটি জানানো হয়েছে।

সোমবার মালয়েশিয়ার মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (মেরিটাইম মালয়েশিয়া) কেদা ও পার্লিসের পরিচালক, মেরিটাইম অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ জাওয়াই আবদুল্লাহ বলেন, মালয়েশিয়ার ল্যাংকাউই দ্বীপের পশ্চিম অঞ্চলের সাগরে হারিয়ে যাওয়া ২৭ জন রোহিঙ্গাকে আলোরস্টার নিরাপদ স্থান থেকে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী।

রোববার ল্যাংকাউই দীপের কাছাকাছি অবস্থিত পুলাউ রেবাক বেসরেত ১৩ জন পুরুষ, ৯ জন মহিলা এবং পাঁচ শিশুকে উদ্ধার করে নৌবাহিনী সন্ধ্যা ৬ টা ১৫ মিনিটে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শনিবার রাতে দ্বীপে নৌকা থেকে রোহিঙ্গাদের বহন করা নৌকা থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ার কারণে ২৪জনকে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছিল।

কিন্তু 'বেঁচে' যাওয়া একজনের কাছ থেকে প্রাথমিক প্রতিবেদন পাওয়ার পরে কর্তৃপক্ষ পরিচালিত অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের সময় তাদের সন্ধান করা হয়। তবে নৌকা থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিরাপদ হিসেবে দেশটিতে প্রবেশের কৌশল এটা। এই কৌশলটি সর্বশেষতম মডাস অপারেন্ডি হিসাবে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে বলে মনে করা হয়। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, এর আগে এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল।

তারা মালয়েশিয়ায় অবতরণের আগে দ্বীপের কাছে দুর্ঘটনাক্রমে একটি নৌকার ইঞ্জিনকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছিল। তিনি আরো যোগ করেন, (প্রাথমিকভাবে) অনুসন্ধান এবং উদ্ধার অভিযান দল কোনও চিহ্ন বা ক্ষতিগ্রস্থ খুঁজে পায়নি। অপারেশন দলটি স্থানীয় এক জেলেের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছিল মে, পুলাউ রেবাক বেসেরে রোহিঙ্গা দলের দেখা গেছে এমন সংবাদের সাথে সাথে মালয়েশিয়ার মেরিটাইম লাইটনিং বোটটি লোকালয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা করে।

এরপর তদন্তের জন্য কেদা ও পারলিসের মালয়েশিয়ার মেরিটাইম জেটি, বুকিত মালুতের কাছে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি জানিয়েছিলেন যে এই দ্বীপে আরও ২৬ জন অভিবাসী এখনও লুকিয়ে আছেন।

এসময় নৌবাহিনীর দল তাদের গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের নৌবাহিনীর হেফাজতে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা শেষে ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

আমারসংবাদ/এমআর