শনিবার ৩০ মে ২০২০

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

যাহিন ইবনাত

ফেব্রুয়ারি ০৩,২০২০, ০৫:৪৯

ফেব্রুয়ারি ০৯,২০২০, ১০:০৯

কাজে কোনো বাজে অভিজ্ঞতা, সবাই কী দেয়?

বাংলাদেশের বেশ জনপ্রিয় ডিজে সনিকা। তার পুরো নাম মারজিয়া কবির সনিকা। তবে শোবিজে সবাই তাকে ডিজে সনিকা নামেই চেনেন। তিনিই আজ ডেইলি আমার সংবাদের প্রতিনিধির মুখোমুখি হয়েছেন। কথা বলেছেন ডিজে পেশায় আসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। পাঠকদের জন্য তার সম্যক তুলে ধরা হলো। কেমন আছেন? বেশ ভালো আছি। ডিজে পেশায় কেন এলেন, কবে এলেন? ডিজে পেশা এসেছি নিজের ইচ্ছায়। আর এই পেশায় প্রথম কাজ শুরু করি ২০০৭ সালে। সেই থেকে আজও একই পেশায় আছি। কাজ করে যাচ্ছি। ডিজের বাইরে মিডিয়ায় আর কোনো কাজ করছেন? হুম! মাঝে মাঝে টেলিভিশনে উপস্থাপনা করছি তবে আগে বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেছিলাম। এখন একটু অভিনয় কমিয়েছি। ক্যারিয়ারে ডিজে হিসেবে কয়টি শো করেছেন? এ পর্যন্ত প্রায় সফলভাবে এক হাজার শো করেছি। সবাই কী পারিশ্রমিক দেয়? কিছুক্ষণ চুপ থেকে সনিকা বলেন, কেউ দেয় কেউ দেয় না। তবে যারা ঠিকভাবে দেয় না তাদের কাজ পুনরায় আর করি না। কাজে কোনো বাজে অভিজ্ঞতা হয়েছে কি? কাজ করতে গিয়ে অনেক বাজে অভিজ্ঞতা হয়েছে। তবে সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতা হয়েছিল একদিন। সেই দিন প্রায় ১ হাজার মানুষ মঞ্চের চারপাশে আমাকে ঘিরে ধরেছিল। বেশ ভয় পেয়েছিলাম। পরে নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায় বাড়ি ফিরেছি। কোনো নোংরা আবেদন পান? অবশ্যই প্রত্যেক পেশায় নারীদের নোংরা আবেদন করা হয়। আমাকেও করা হয়েছিল। অনেকেই শো করতে আসার আগে খোলামেলা পোশাক পরে আসতে বলেন। আমি কখনোই তাদের কথা শুনিনি। নিজের ইচ্ছাকেই বরাবরই প্রাধান্য দিয়েছি। ডিজে পেশা অনেকেই খারাপ চোখে দেখে, আপনি কীভাবে দেখেন? মানুষ জানে ডিজে মানেই মদ খেয়ে পড়ে থাকা। আসলেই কিন্তু তা নয়। ভালো ভালো কাজেও ডিজে অনুষ্ঠান হয়। তবে আমাদের দেশে কিছু ভালো ভালো ক্লাব চালু হলে আরো উৎসাহিত হত ডিজেরা। আপনার করা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শো’? বাংলাদেশে বিশ্বকাপের ক্রিকেট উদ্বোধনী শো, থাইল্যান্ডের ‘ইভরিবডি ইভেন্টস মিউজিক ফেস্টিভ্যাল’, আমেরিকার ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড শো, বিপিএল এবং গত বছরের থার্টিফাস্ট নাইটে শ্রীলঙ্কার ওয়াটার এজ শো। আপনারও প্রিয় ডিজে কে? নেদারল্যান্ডের আরমিন ভান বুরেন। আমারসংবাদ/জেডআই