বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২০

৫ কার্তিক ১৪২৭

ই-পেপার

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রিন্ট সংস্করণ

সেপ্টেম্বর ২৪,২০২০, ০১:৩২

সেপ্টেম্বর ২৪,২০২০, ০১:৩২

এসপির হস্তক্ষেপে সংসার ফিরে পেলো অঞ্জনা

চুয়াডাঙ্গা সদরের সাইফুল ও অঞ্জনা একযুগ আগে সংসারজীবন শুরু করে। তাদের ঘর আলোকিত করে সামিয়া নামের আট বছরের এক রাজকন্যা। ভালোই চলছিল দাম্পত্যজীবন।

কিন্তু সেই সুখে বাসাবাধে পারিবারিক কলহ। দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, এক মাস আগে সাইফুল অঞ্জনাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। সহায়হীন হয়ে পড়ে অঞ্জনা। সমস্যার সমাধানের জন্য অঞ্জনা চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ করেন।

জেলার মানবিক পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম উভয়কে তার কার্যালয়ে ডেকে আনেন। সেখানে তার মধ্যস্থতায় উভয়ে সংসার করতে সম্মত হয়। সাইফুল অঞ্জনাকে স্ত্রীর মর্যাদা দেন। ফলে সামিয়া ফিরে পায় বাবা-মায়ের ভালোবাসা। এমন মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে জেলার সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন পলিশ সুপার।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ থেকে ১৩ বছর পূর্বে চুয়াডাঙ্গা সদরের মো. সিরাজের পুত্র মো. সাইফুল ইসলাম (৩৫)  ও একই এলাকার মো. জুব্বর লস্করের মেয়ে মোছা. অঞ্জনা বেগমের (৩২) বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্যজীবনে সামিয়া নামের আট বছরের একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। গত এক বছর পূর্বে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।

বিরোধ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, এক মাস আগে সাইফুল ইসলাম তার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। সেইসাথে অন্যত্র বিবাহ করে। এমতাবস্থায় অঞ্জনা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে সমস্যা সমাধানের জন্য অভিযোগ করেন। পরে তিনি উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের এএসআই মিতা রানী বিশ্বাসকে দায়িত্ব দেন উভয়কে তার কার্যালয়ে হাজির করার।

বাদি ও বিবাদিকে হাজির করা হলে জেলা পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলামের মধ্যস্থতায় সাইফুল ইসলাম তার প্রথম স্ত্রী অঞ্জনাকে স্ত্রীর মর্যাদা প্রদানসহ সংসার করতে সম্মত হয়। এতে সামিয়া ফিরে পেলো তার বাবা-মায়ের আদর স্নেহ। অন্যদিকে অঞ্জনা ফিরে পেলো তার সুখের সংসার।

আমারসংবাদ/এআই