শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০

২০ আষাঢ় ১৪২৭

ই-পেপার

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ২৮,২০২০, ০৪:২২

জুন ২৮,২০২০, ০৪:২২

অনুবাদ করে দেবে মাস্ক, ফোনও করা যাবে

 

পুরো বিশ্ব কাঁপছে করোনাভাইরাসের থাবায়। নতুন এ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সবার মুখ ঢেকেছে মাস্কে। তবে শুধু ‘অদৃশ্য শক্র’-কে ঠেকানো নয়, চাহিদা বাড়াতে এর সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে প্রযুক্তিকেও।

জাপানি স্টার্টআপ সংস্থা ডোনাট রোবোটিক্স এক ‘স্মার্ট মাস্ক’ বানিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছে।

সংস্থার দাবি, ইন্টারনেট ও ব্লু টুথের সঙ্গে সেটিকে যুক্ত করা যায়। মেসেজ পাঠানো, ফোন তো বটেই, এমনকি জাপানি থেকে আটটি পৃথক ভাষায় অনুবাদ করার বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে এ ‘স্মার্ট মাস্কে’র। দাম ৪০ ডলার।

ডোনাট রোবোটিক্স জানিয়েছে, যেকোনো মাস্কের ওপর সাদা রঙের প্লাস্টিকের ‘সি মাস্ক’ পরা যাবে। স্মার্টফোন বা ট্যাবের সঙ্গে ব্লুটুথের মাধ্যমে একে যুক্ত করা যায়। এর ফলে স্পিচ ইনটু টেক্স মেসেজ (অর্থাৎ আপনাকে মেসেজ লিখতে হবে না, কিছু বললেই এ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাস্ক সেটা লিখে নির্দিষ্ট জায়গায় পাঠিয়ে দেবে), ফোন করাসহ একাধিক পরিসেবা পাওয়া যাবে।

মুখ ঢাকা অবস্থায় গলার আওয়াজ কমে যাওয়ার মতো সমস্যার সমাধান করবে এ স্মার্ট মাস্ক। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এটি ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বরের জোর অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে।

করোনার জেরে বেহাল আর্থিক অবস্থার মধ্যেও এ মাস্কের বাজার হাসি ফুটিয়েছে সংস্থার মুখে।

সংস্থাটির চিফ এক্সিকিউটিভ তাইসুকে ওনো বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে একটি রোবট নিয়ে কাজ করছিলাম। টোকিও’র হেনেডা বিমানবন্দরের রোবট গাইড ও অনুবাদকের একটি প্রকল্পও হাতে এসেছিল। কিন্তু করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় কোম্পানি চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছিল। তখন সংস্থার ইঞ্জিনিয়াররা এ অভিনব মাস্কের পরিকল্পনা করেন। রোবোটের জন্য যেসব প্রযুক্তি আবিষ্কার করা হয়েছিল, তার বেশ কিছু স্মার্ট মাস্কেও রয়েছে। চীন, আমেরিকা এবং ইউরোপে তুমূল চাহিদা তৈরি হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৫ হাজার সি মাস্ক বানিয়ে বিক্রি করতে চলেছে সংস্থাটি। শেয়ারের দামও দ্রুত বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ওনো।

সংস্থার শেয়ার বিক্রি করে সাত মিলিয়ন ইয়েন তোলার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু মাত্র ৩৭ মিনিটের মধ্যে ২৮ মিলিয়ন ইয়েন অর্থ ঘরে তুলেছেন তারা। ব্যবসা বৃদ্ধিতে এ অঙ্ক বড় সাফল্য।

আমারসংবাদ/জেআই